“এসএসএল সার্টিফিকেট f5”

আপনাকে সবার আগে ভাবতে হবে, আপনি কি মানের প্রতিষ্টিত কোম্পানির হোস্টিং নিবেন, তাদের সার্ভিস সম্পর্কে জেনে তারপর সার্ভিস গ্রহন করবেন। অনেক সময় দেখা যায় আপনি সে সার্ভিস চাচ্ছেন তা তাঁরা দিতে পারছেনা। তাই আপনার উচিত হবে নামে না কাজের দিকে লক্ষ রাখা। একটা বিজ্ঞাপন আছে “পঁচা সাবান নামে না কাজে পরিচয়”।

উপরের প্যারাগ্রাফ গুলো থেকে আপনি নিশ্চয় বুঝে গেছেন, সিডিএন কি এবং কিভাবে কাজ করে। আর যদি ক্লাউডফ্লেয়ার সিডিএন (CloudFlare CDN) নিয়ে কথা বলি, তো নামেই বুঝতে পাড়ছেন হয়তো, “ক্লাউডফ্লেয়ার” হচ্ছে এক সিডিএন সার্ভিস প্রভাইডার। এরা পৃথিবীর মধ্যে সিডিএন প্রভাইড করার সবচাইতে জনপ্রিয় সার্ভিস প্রভাইডার। এদের নানান দেশে সিডিএন সার্ভার রয়েছে, যেগুলো আপনার ওয়েবসাইট’কে রকেট পেজ লোডিং গতি প্রদান করতে যথেষ্ট।

এ দৃষ্টিভঙ্গী থেকে চীন থেকে আনা কমিউটার ট্রেনগুলোর উপযোগিতা কমই মনে হয়েছে অনেকের কাছে। প্রথমত, ওগুলো যাত্রী পরিবহন করতে পারবে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ। এতে স্বাভাবিকের চেয়েও রেল বিভাগের মুনাফা কমে আসবে বলে অনেকের আশঙ্কা। কমিউটার ট্রেনে খুব বেশি গতি আমাদের দরকার নেই বলেও মত দিয়েছেন কেউ কেউ। সাধারণ ডিইএমইউ ২০ বছর টিকলেও চীনা কমিউটার ইঞ্জিন কতদিন টিকবে- সন্দেহ রয়েছে। ডিইএমইউ রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ যত্ন লাগে। এও আমাদের রেল বিভাগের কর্মীরা কতটা নিশ্চিত করতে পারবেন, বলা মুশকিল। ডিজেল ইঞ্জিন চালিয়ে বিদ্যুৎ সৃষ্টিপূর্বক গতি সঞ্চার করা হয় ডিইএমইউ ট্রেনে। ডিজেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে জ্বালানি অপচয় হয় সাধারণ ইঞ্জিনের চেয়ে বেশি। উন্নত দেশের পক্ষে সেটি পুষিয়ে দেয়া সম্ভব। তাছাড়া তাদের লক্ষ্যও থাকে গতি- ব্যয় সাশ্রয় বা অধিক যাত্রী পরিবহন নয়। এ ধরনের এক প্রকল্প হাতে নিয়ে বছর দুয়েক আগে মোটামুটি ব্যর্থও হয়েছে ঘানা সরকার। চীন থেকে আনা কমিউটার ট্রেন নামানোর আগে চিন্তা করতে হবে এটি। আরেকটি বিষয়, চীনা কমিউটার ট্রেনে শব্দ দূষণের সম্ভাবনা রয়েছে বেশ। এদিকেও খেয়াল রাখা দরকার।

সামগ্রিকভাবেই সেবা খাতের দিক থেকে বেশ সম্ভাবনাময় এ দেশ। তবে অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের অসচেতনতা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে তাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে মানের উন্নতি ঘটছে বেশ ধীর গতিতেই। সুপার শপগুলোয়ও বিক্রয় প্রবৃদ্ধির তুলনায় সেবার মান সন্তোষজনক নয়। অথচ এটি বাড়িয়ে দ্রুত ও স্থানীয়ভাবেই সুপার মার্কেটের সম্প্রসারণ সম্ভব। এটি করতে চাইলে সরকারি নজরদারি, বিজ্ঞাপন ও ভোক্তা সচেতনতা উন্মেষের অপেক্ষায় না থেকে সুপার শপগুলোকেই নিজেদের মানোন্নয়নে দৃষ্টি দিতে হবে প্রথমে।

তো আপনার ডোমেইন রিসেলার,হোস্টিং রিসেলার একাউন্ট এবং আপনার সাইট যুক্ত হবে যে বিশেষ একটি সফটওয়্যার বা বলতে সিএমএস (হোস্টিং সিএমএস) এর সাথে তারই নাম হল এই Whmsc। আপনি যদি নিজে থেকে একটি Whmcs কিনেন তবে মাসিক সর্বনিম্ন ১৯$ দিতে হবে, যেখানে আপনি সর্বোচ্চ ২৫০ গ্রাহক নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। তবে ইদানিং বেশ কিছু রিসেলার একাউন্ট সাথে এই Whmcs একাউন্ট ফ্রী দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে আপনার কেনার প্রয়োজন পরবে না।

রকমারী আকর্ষনীয় ডিল দিয়ে শরৎকাল উদযাপন করতে যাচ্ছে ই-কমার্স সাইট দারাজ। ১৭ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া সপ্তাহব্যাপী ‘গ্রেট অটাম সেল’ চলবে একেবারে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই বিক্রয় উৎসবে থাকবে ছোট ও বড় অ্যাপ্লায়েন্স, রকমারি স্মার্টফোন, ইলেক্ট্রনিকস পণ্য, কম্পিউটিং, ফ্যাশন, স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য্যসহ নানা ক্যাটাগরির পণ্যে একশ’রও বেশি মেগা ডিল। শরতের উৎসব উদযাপনকে আরও বেশি আনন্দময় করতে পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে গ্রাহকদের জন্য ফ্রি ডেলিভারি সুবিধাও থাকছে। বিস্তারিত এখানে।

আপনি ফ্রীল্যান্সার অথবা কোন আইটি ব্যাবসার সাথে জরিত। আপনার প্রোফেশনালিটির বহিঃপ্রকাশ ঘটবে আপনার ওয়েবসাইটেই। আপনার পোর্টফোলিওই বলে দেবে আপনি কতটুকু দক্ষ। আপনার গ্রাহক জানতে পারবে আপনি তার কাজটি করে দিতে পারবেন কিনা অথা এই কাজের জন্য তার বাজেট কত করতে হতে পারে। ক্লায়েন্ট এর দৃস্টি আকর্ষনের মেইন হাতিয়ারই হইলো ওয়েবসাইট।

১৯০৫ সাল সেটা। জার্মান বিজ্ঞান সাময়িকী ‘আনালেন-দার-ফিজিকে’র সম্পাদক তখনকার বিখ্যাত পদার্থবিদ ম্যাক্স প্লাংক। ১৮ মার্চ তার হাতে একটা খাম এলো। এটি পাঠানো হয়েছে সুইস পেটেন্ট অফিস থেকে। লেখকের নাম অ্যালবার্ট আইনস্টাইন; পদবী কেরানী; অনুসর্গ-উপসর্গ নেই নামের আগে-পরে। লেখকের বিনীত আহ্বান, সম্পাদক যেন লেখাটি পড়ে মন্তব্য জানান। প্ল্যাংক কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ সংক্রান্ত গবেষণা নিয়ে ছিলেন ব্যস্ত। ফলে ওই তরুণ কেরানির লেখা পড়ার সময় হয় নি তার। তবে লেখকের আরেকটা চিঠি পাওয়ার পর ভদ্রতা দেখাতেই লেখাটি পড়া শুরু করলেন তিনি। স্পষ্টত আইনস্টাইন যা লিখেছিলেন সেটির পরীক্ষালব্ধ প্রমাণ ছিল না। তিনি লিখেছিলেন, কোন বস্তু থেকে শক্তির বিকিরণ নিরবচ্ছিন্ন নয়; এটি ঘটে প্যাকেট (কোয়ান্টা) আকারে থেমে থেমে। এমন ঘটনা আবার নির্দেশ করে ‘ফটোইলেক্ট্রিক ইফেক্ট’কেই। প্ল্যাংক বিস্মিত হয়ে দেখলেন তিনি নিজে যেটির ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না, এই কেরানি গবেষণা না করেই তার তাত্ত্বিক কাঠামো দাঁড় করিয়ে ফেলেছে। সানন্দে আনালেন-দার-ফিজিকের পরবর্তী সংখ্যা ৯ জুন ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হল লেখাটি; সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে নিজে থেকে প্ল্যাংক সংযোজন করলেন তার গবেষণা।

এদিকে তুরস্কের বিশ্ব হ্যাকার কম্যুনিটিতে বাজ নিউজ হিসেবে দেখা যাচ্ছে কোন এই সাইটের ডি.এন.এস ট্র্যাক করতে গিয়ে তারা দেখেছে ওদের ডেডেকেটেড সার্ভার বাংলাদেশের নড়াইল জেলার এক হাফিজিয়া মাদ্রাসায় রাখা হয়েছে।

দেশে সাধারণত বর্ষা ও শীত এ দুই মৌসুমে শুঁটকি প্রক্রিয়াকরণ হয়ে থাকে। এর মাঝে বর্ষাতেই ক্ষতিকর মাছির আক্রমণ বেশি হতে দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে কেবল এ মৌসুমের জন্য মাছি প্রতিরোধী স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থাও নেয়া যেতে পারে। কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগ সোলার ড্রায়ার নামক যন্ত্র তৈরি করে। এতে সহজে, মাছিমুক্ত উপায়ে ও অপেক্ষাকৃত কম সময়ে এক সঙ্গে দেড় টনের মতো শুঁটকি প্রক্রিয়া করা যায়; পাশাপাশি আমসত্ত্ব, ভুট্টা, চীনাবাদামের মত খাদ্যপণ্যও শুকানো যায়। শুঁটকি উৎপাদন ও রফতানি বাড়াতে মাঝে মাঝেই আর্থিক প্রণোদনার দাবি করা হয় সংশ্লিষ্টদের পক্ষে থেকে। তার সঙ্গে সোলার ড্রায়ার সরবরাহের মতো প্রযুক্তিগত দেয়া যায় কিনা, ভেবে দেখার মতো। তবে প্রক্রিয়াকরণের আগে সামগ্রিকভাবে শুঁটকি উৎপাদন ও রফতানি বাড়াতে গভীর সমুদ্র থেকে মৎস সম্পদ আহরণে মনোযোগী হতে হবে।

প্রধানত স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির কারণেই বিশ্ববাজারে প্রতি বছর অর্গানিক কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ছে প্রায় ২০ শতাংশ করে। এটি ছয় হাজার কোটি ডলারের এক বড় বাজার এখন। জিএম (জেনেটিক্যালি মডিফায়েড) খাদ্যপণ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কঠোর বিধি-নিষেধ থাকাতেও কিছু দেশে বাড়ছে অর্গানিক কৃষিপণ্যের ক্রেতা। সম্ভাবনাময় এ বাজারে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে এরই মধ্যে এগিয়ে এসেছে ল্যাটিন আমেরিকার কিছু দেশ। এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই আফ্রিকা। প্রতিবেশি ভারতও প্রতি বছর রফতানি করছে বিপুল অর্গানিক কৃষিপণ্য। অথচ বিষয়টির প্রতি এক প্রকার উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে।

Dhrubo Host​ দীর্ঘ ৪ বছর ধরে সুনামের সাথে বিশ্বের ৩০টি অধিক দেশে হোস্টিং / সার্ভার ইত্যাদি সেবা প্রদান করছে। ২৪/৭ দিন/রাত সাপোর্ট পাবেন যেকোন সমস্যার জন্য। আমরা কোন রিসেলার নই। নিজস্ব ডেডিকেটেড সার্ভার থেকে আমরা সার্ভিস দিয়ে থাকি।

ব্যবসাটি শুরু হয়েছিল ঢাকাকে কেন্দ্র করে; নগরীর বর্ধিষ্ণু মানুষের বাসস্থান চাহিদার জোগান দেয়ার লক্ষ্যে। সে সময় এটি অনিয়ন্ত্রিত ছিল, বললে ভুল হবে না। অনেক অভিযোগ ছিল এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ছিল পরিবেশের দিকে খেয়াল না করে নদী-খাল-জলাশয় ভরাট করে প্লট বিক্রয় ও ফ্ল্যাট নির্মাণের অভিযোগ। বিক্রি করেও নির্মিত ফ্ল্যাট দেরীতে বা একেবারেই বুঝিয়ে না দেয়ার অভিযোগও ছিল। এ ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে নানা উপায়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, যেটি বিক্রি হয়েছে তার বদলে অন্যটি গছিয়ে দেয়া বা একই ফ্ল্যাট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির অভিযোগ ছিল এক শ্রেণীর গৃহনির্মাণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বর্তমানে পরিস্থিতি রাজধানী উন্নয়ন করপোরেশনের আয়ত্ত্বে এলেও সময়মতো নিয়ন্ত্রণের অভাবে এমন অপরিকল্পিত আবাসনের ফল এখনো ভোগ করতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে। রাস্তায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। ঢাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারাও অন্যতম কারণে অপরিকল্পিত আবাসন। দুর্ভাগ্যজনক যে, রাজধানীর বাইরে যেসব বিভাগীয় শহরে গৃহায়ন ব্যবসা চালু হয়েছে সেখানেও দেখা যাচ্ছে একই ধরনের ঘটনা।

শিক্ষার আরেক উপকরণ কলমের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরনের সক্ষমতাও রয়েছে আমাদের। এখনো চাহিদার ৭০ শতাংশ কলম দেশী আর বাকি ৩০ শতাংশ বলা চলে ভারতীয়। দেশীয় মেটাডোর কোম্পানিই ৫০ শতাংশ কলম উত্পাদনে সক্ষম এবং আমাদের পুরো বলপেনের চাহিদা দেশে উত্পাদিত কলমই মেটাতে পারে। এখন পর্যন্ত ওয়াটার বেইজড জেলপেনটা বাইরে থেকে আনতে হয়। দেশীয় কোম্পানিগুলো এ ধরনের জেলপেন উত্পাদনের দিকে যাচ্ছে। সরকারের যথাযথ সহায়তা পেলে কলমেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হবে আশা করা যায়।

অন্যান্য দেশের পাশাপাশি এবার ডিম আমদানি করা হচ্ছে ভারত থেকেও। তবে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না স্থানীয় বাজারে। আমদানি ব্যয়সহ এগুলোর বিক্রয় মূল্য যা হওয়া উচিৎ বিক্রি হচ্ছে তার বর্ধিত দামে। অভিযোগ রয়েছে, একশ্রেণীর আমদানিকারক স্প্রে ছিটিয়ে স্বল্পমেয়াদে ডিম মজুদ ও ধীরে ধীরে বর্ধিত দামে বিক্রি করেন তা। বাজার স্বভাবিক হতে পারছে না এতে। একই অভিযোগ রয়েছে ডিম উৎপাদনকারীর একশ্রেণীর প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধেও। আবার উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে মধ্যসত্ত্বভোগীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়াতেও নাকি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে ডিমের দাম। ডিমের সাপ্লাই চ্যানেল স্বাভাবিক ও প্রতিবন্ধকতামুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে দ্রুত। কিছুদিন পরেই রমজান; সে সময়েও ডিমের দাম অস্বাভাবিক থাকলে মানুষ আরও ভোগান্তিতে পড়বে।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে দেশীয় কাচশিল্প সংরক্ষণের লক্ষ্যে গ্লাস শিট আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ২০’র পরিবর্তে ৪৫ শতাংশ করার প্রস্তাব জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তার সঙ্গে পূর্বের ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল থাকবে বলে খবর রয়েছে গতকালের বণিক বার্তায়। আমাদের দেশে দশকখানেক আগেও কাচের চাহিদা মেটানো হতো পুরোপুরি আমদানি করে। এরপর বাংলাদেশ কেমিক্যাল করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন ওসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরিসহ গড়ে ওঠে কয়েকটি কাচপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। সময়ে সময়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে সঙ্কটসহ নানা সমস্যার কথা জানালেও কয়েক বছরে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা এতটাই বেড়েছে যে, তারা দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাচের চাহিদা মিটিয়েও বিপুল পরিমাণ কাচ রফতানি করছে এখন।

হোয়াইট স্পট ভাইরাসে একই খামার একাধিকবার আক্রান্ত হওয়ার খবরও মিলেছে এরই মধ্যে। আক্রান্ত চিংড়ি সম্পূর্ণ বিনষ্ট ও পানি পরিবর্তন না করে নতুন পোনা ছাড়া হলে এমনটি ঘটতে পারে। এমন অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ না নিয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন চাষীরা; পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দায় চাপাচ্ছেন কর্তৃপক্ষের ওপর। অনেক সময় ব্যয়বহুল মনে করে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ আমলে না নেয়ার দৃষ্টান্তও রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষও নিরুৎসাহিত করেন বলে অভিযোগ। এসব সমস্যা দূর করে চিংড়ি চাষীদের পর্যাপ্ত ও যথাযথ তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করেন কেউ কেউ।

ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কিছু অসন্তোষ থাকলেও এবারের বাণিজ্য মেলায় দর্শক সমাগম ছিল ব্যাপক। দিকে মেলার টিকেট ঘরের সামনে ভিড় লেগেই থাকত। পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকায় গত কয়েক বছর ধরে সমস্যাটি নেই। মেলায় সার্বিকভাবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। তবে এবার কিছুটা বেশি ছিল টিকেটের দাম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মেলায় প্রকৃত ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়াতেই এ ব্যবস্থা। দাম বাড়লেও সেটির কোন প্রভাব অবশ্য দেখা গেলো না। খুচরা ক্রেতাদের বেশ ভীড় ছিল বিশেষত কমমূল্যের ইলেট্রনিক, তৈজসপত্র ও গৃহস্থালী পণ্যের দোকানে। অন্যান্য পণ্যের দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলকভাবে কম। ভোগ্যপণ্য কেনায়ও মানুষের ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে এবার। আমাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রমাণ বহন করে এটি। প্রতিষ্ঠিত ব্রান্ডের পাশাপাশি বেশ কিছু স্থানীয় খাদ্য প্রস্তুতকারী ও প্রক্রিয়াজাতকারী কোম্পানীও মেলায় কাজ করেছে নিজেদের নতুন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। তাদের সঙ্গে ব্যাংক, হাউজিং প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও নজরে এসেছে। কারও কারও অভিযোগ, বাণিজ্যমেলায় বাণিজ্যের চেয়ে দেশীয় মেলার আমেজই ছিল বেশি। স্থানীয় দর্শকরা এখানে ঘোরাঘুরি করেছেন বেশি, পণ্য কিনেছেন কম। এ দিকে মানুষের ভীড় ও ধূলা-বালি নিরুৎসাহিত করেছে বিদেশি ক্রেতাদের। এটি বলে অবশ্য বাণিজ্যমেলার সাফল্যকে খাটো করে দেখার সুযোগ কম। নোবেলবিজয়ী এক অর্থনীতিবিদ সম্প্রতি বলেছেন, অভিঘাত মোকাবেলায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়িয়ে তোলা উচিৎ প্রতিটি দেশের। এতে অর্থনীতিতে সংকট সৃষ্টি হলেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মধ্যে দিয়ে ছড়িয়ে সেটি স্থানীয় অর্থনীতিকে কাবু করতে পারে না।

আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগলের সার্চ পেইজে নিয়ে আসার জন্য এস,ই,ও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) করা খুবই জরুরী। প্রতিটি প্যাকেজের সাথে আপনি ফ্রি-তে পাচ্ছেন ব্যসিক এস,ই,ও সার্ভিস। আপনার ওয়েবসাইটটি আমরা সার্চ ইঞ্জিন গুলোর জন্য পুরোপুরি ভাবে অপটিমাইজ করে দিবো।

তবে সতর্ক থাকুন: আপনি প্লাগইন সক্রিয় করার সময় স্বাভাবিকভাবেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে। প্রকৃতপক্ষে, প্লাগইন “http: //” থেকে “https:” থেকে আপনার ডিফল্ট URL পরিবর্তন করে। // আপনি যা করতে চান তা আবার আপনার লগইন শংসাপত্রের সাথে লগ ইন করুন। চিন্তা করার দরকার নেই!

শিক্ষা উপকরণের দাম হঠাৎ এভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা ডলারের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে দেখিয়েছেন। বাংলাদেশের শিক্ষা উপকরণের ৮০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বিশ্ববাজারে কোনো দ্রব্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও আমদানির ক্ষেত্রে মুদ্রার মান একটা বড় প্রভাবক। দেখা গেল, বিশ্ববাজারে এসব শিক্ষা উপকরণের দাম বাড়েনি অথচ সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে তা বেড়ে গেছে কারণ ডলারের দাম বেড়েছে; আরও সহজভাবে বললে আমাদের টাকার মান ডলারের তুলনায় কমে গেছে। এ বিষয়ে পরে আসছি।

(4)ডকুমেন্টে লেখা বাংলায় না ইংরেজিতে লিখবেন, ইটলিক না বোল্ড হবে লিখার ফন্ট সাইজ কত হবে সেই জন্যে আপনি আপনার কি-বোর্ডের (Crtl+D)প্রেস করুন একটি ফন্ট ডায়লগ বক্স আসবে সেখান থেকে পছন্দ মত ফন্ট সিলেক্ট করে নিন।

এ অবস্থায় ভারত দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় মাধ্যমে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হতে চাইলে দেখতে হবে কোন পথ অবলম্বনে আমরা বেশি লাভবান হবো। যদি দ্বিপাক্ষিক আলোচনাকে যৌক্তিক সমাধান মনে হয়, তাহলে অবশ্যই সে ক্ষেত্রে দল-মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ থাকতে হবে। আবার যদি নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালেই আমরা কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাব; সে ক্ষেত্রেও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালাতে হবে। সম্ভাব্য তেল-গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধানে যৌথ বিনিয়োগেও তাদের বিষয়টি ভাবা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এ অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ভারতীয়দের বিশেষায়িত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে বাপেক্সকে শক্তিশালী করা যায় কিনা, দেখতে হবে। আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়ে বিরোধ ও স্থল সীমান্তে সংঘর্ষ স্থায়ীভাবে নিরসনেও কূটনৈতিক কৌশল হিসেবে সমুদ্রসীমানা ইস্যুটিকে কাজে লাগাতে পারি আমরা। যুদ্ধে জয়ই চূড়ান্ত কথা নয়; মূল বিষয় হলো লক্ষ্যার্জন।

লুব্রিক্যান্টে সংযোজক হিসেবে কিছু উপাদান যোগ করা হয়, যন্ত্রের মরিচা রোধেও। নিম্নমানের সংযোজক ব্যবহৃত হলে, তা মরিচার সঙ্গে রাসায়নিক বা ভৌত বিক্রিয়ার মাধ্যমে যৌগ গঠন করতে পারে। নিয়মিত তদারকি না হলে এ ক্ষেত্রে যন্ত্রের মরিচা নির্ণয় করা কঠিন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়ে যায়। দেশে যানবাহন বা জেনারেটরের পাশাপাশি বাসা-বাড়ি ও অফিস-আদালতে লিফটের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে সাম্প্রতিককালে। এ ক্ষেত্রে নিম্নমানের লুব্রিক্যান্ট ব্যবহৃত হচ্ছে, এদিকে দৃষ্টি রাখা দরকার।

বিশেষত গত কয়েক দশকে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সড়কপথের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি আমরা। এতে গুরুত্ব কিছুটা কমলেও সহজে ও কম খরচে পরিবহন করা যায় বলে এখনো আমাদের দেশে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে রেল ও নৌপথের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। দুর্ভাগ্যজনক হলো, গত কয়েক দশকে উভয় ক্ষেত্রে উন্নতির তুলনায় অবনতিই পরিলক্ষিত হয়েছে বেশি। এ অবস্থায় জন্য অনেকে দায়ী করেন ভর্তুকিদানকে। আবার কারও কারও মতে যথাযথভাবে ভর্তুকি না পাওয়াতেই তাদের এ দশা। অস্বীকার করা যাবে না, আমাদের মতো দেশে যেখানে সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে সেখানে ভর্তুকি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি ঘটে থাকে। তবু জনকল্যাণের স্বার্থে ভর্তুকি বন্ধ করে দেয়াটাও একেবারে সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে ভর্তুকি হ্রাসের উপায় হিসেবে ধীরে ধীরে ভাড়া বাড়িয়ে, সেটিকে মানুষের জন্য সহনীয় করে তোলাটা কৌশল হিসেবে মন্দ নয়। অবস্থা দেখে মনে হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ এমন কৌশলই নয়েছে। স্পষ্টত দেশে বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এভাবে রাজস্ব ও মুদ্রানীতির মধ্যে সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে। তাছাড়া সম্প্রতি যে হারে লঞ্চ ভাড়া বাড়ানো হলো, তাকে মূল্যস্ফীতির হার বিবেচনায় অযৌক্তিক বলা যাবে না। তবে এর সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে, এ সুযোগে লঞ্চ মালিকরা যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *