“এসএসএল সার্টিফিকেট কী ব্যবহার এক্সটেনশন”

এতে স্থানীয়ভাবে অধিক মূল্য সংযোজনের সুযোগ মিললে কৃষকরা উৎসাহিত হবেন বলেই ধারণা। আয় বেড়ে গেলে নিজ থেকেই পণ্য বহুমুখীকরণেও দৃষ্টি দেবেন তারা। সে ক্ষেত্রে বাজার সম্প্রসারিত হবে ও অর্থনীতিতে গতিশীলতা বাড়বে। এছাড়া অঞ্চলভিত্তিক শস্যপণ্যের প্রক্রিয়াকরণ হলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো সহজ হবে; রফতানি সম্ভাবনাও বাড়বে। সঠিকভাবে শস্যাঞ্চল বিভাজিত হলে উন্নতি ঘটবে পুষ্টি পরিস্থিতির। এসব বিষয়ে ব্যাপকভাবে সচেতন করে তুলতে পারলে শস্যাঞ্চল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কৃষকের আনাগ্রহ থাকবে না বলেও মনে হয়। বেশ কয়েকটি বেসরকারি বীজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেশে। শস্যাঞ্চল পরিকল্পনা জনপ্রিয় করতে এদেরও কাজে লাগানো যেতে পারে।

আর ও অনেক বিষয় ছিল একটা ওয়েব হোস্টিং এর জন্য, তবে আমার কাছে মনে হয়েছে যে এই বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অব্যশই নজর দিবেন যখন আপনি আপনার নিজের জন্য বা আপনার ক্লাইন্টের জন্য হোস্টিং ক্রয় করবেন। আর আমার যে জ্ঞান টা শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে তার জন্য ধন্যবাদ দিব মিস্টার টম কে। কারণ তিনি যদি আমাকে ওয়েব হোস্টিং নিয়ে যদি রিসার্চ করতে না বলতে না হলে আমি ও এতটা জানতাম না আর আপনাদেরকে ও জানাতে পারতাম না। শেষ করব আজকের আর্টিকেল তার আগে বলব যে আগামি আর্টিকেল থাকছে ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং এর ব্যাপারে সাথে থাকবে কিভাবে আপনি কম দামে একটা ভাল হোস্টিং ক্রয় করতে পারবেন। আশা করি সেই আয়োজনে ও আপনাদের সাথে পাব সেই প্রতাশা রেখে শেষ করছি আমি বুলবুল আহমেদ। আল্লাহ্ হাফেজ।

এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘হারিয়ে যাওয়া সাটিফিকেট ফিরে পেতে নিয়ম মেনে শিক্ষাবোর্ড বরাবর আবেদন করলেই আমরা মূল সার্টিফিকেট সরবরাহ করি। কিন্তু মূল সার্টিফিকেট ফিরে পাওয়া সম্ভব এটা অনেকেই না জানার কারণে তারা অবৈধভাবে সার্টিফিকেট তৈরি করে নেন’।

ভার্চুয়াল জগতের প্রতি শৈশব থেকেই অন্য রকম টান ছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে স্নাতকপড়ুয়া বিপুলের। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে সুযোগ পেলেই চলে যেতেন এলাকার সাইবার ক্যাফে। তথ্যপ্রযুক্তির সব ধরনের আপডেট খবর রাখতেন। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখে নানা প্রশ্ন উঁকি দিত তার মনে। কীভাবে তৈরি করা হয় ওয়েবসাইট, তৈরি করতে কী কী লাগে, কোথায় পাওয়া যাবে এসব? এমন সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গুগলে সার্চ করে বিভিন্ন আর্টিকেল ও টিউটোরিয়াল পড়তেন তিনি। নিয়মিত চোখ রাখতেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের তথ্যপ্রযুক্তির পাতায়। কম খরচে ওয়েবসাইট তৈরির বিজ্ঞাপনগুলোও পড়তেন মনোযোগ সহকারে। আপন মনে স্বপ্ন বুনতেন নিজের একটি ওয়েবসাইটের। সে লক্ষ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে।

আগেই বলে রাখছি, ক্লাউডফ্লেয়ার কিন্তু শুধুই সিডিএন নয়, বরং এর চেয়েও আরো অনেক কিছু। এরা ওয়েব সাইটের বিভিন্ন পারফর্মেন্স উন্নতি থেকে শুরু করে, সিডিএন, এবং ওয়েব সিকিউরিটি প্রদান করে থাকে। এদের ফ্রী এবং পেইড উভয় টাইপেরই সার্ভিস রয়েছে, যদিও ফ্রী সার্ভিস থেকেও আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন, কিন্তু পেইড সার্ভিসে আপনাকে প্রদান করবে আরো উন্নত কিছু ফিচার। ক্লাউডফ্লেয়ার বর্তমানে যেকোনো সাইটের জন্য ফ্রী এসএসএল সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে, যদি আপনি গুগল ব্লগারে সাইট বানিয়ে থাকেন, তবে ক্লাউডফ্লেয়ার ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার ডোমেইনকে এসএসএল সিকিউর করতে পারবেন।

তো এগুলোই ছিল মূলত কয়েকটি ইউজফুল এবং কয়েকটি মজার গুগল সার্চ ট্রিক যেগুলো আপনি গুগল সার্চ করার সময় ব্যবহার করে আপনার কাজগুলোকে আরো একটু সহজ করতে পারেন এবং আপনার কিছুটা সময়ও বাঁচাতে পারেন। গুগল সার্চ  এর ক্ষেত্রে এগুলো ছাড়াও আরো অনেক অনেক ইউজফুল ট্রিকস আছে। আজকে সেগুলোর মধ্যেই জাস্ট কয়েকটি ইউজফুল এবং কয়েকটি মজার ট্রিকস নিয়ে আলোচনা করলাম। আরো কিছু ট্রিকস নিয়ে সামনে কোনো একদিন আবার আলোচনা করা যাবে।

আমরা অনেকেই কম দামে সেরা হোস্টিং নেওয়ার চিন্তা করি কিন্তু তা অহরহ হয়ে উঠেনা। আপনারা যারা কম দামে সেরা হোস্টিং নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন তাদের জন্যই আমার এই পোস্ট। আমাদের পরিচিত বেশ কয়েকটি হোস্টিং কোম্পানি হল হোস্টগ্যাঁটর, ড্রিমহোস্ট, আরভিক্সে, বিগরক । আজকে আমি আপনাদের জন্য  ড্রিমহোস্ট, আরভিক্সে ও 

পরে নবীন শিক্ষার্থীদের গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয় এবং মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিয়ে বিদায় প্রদান করা হয়। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মানপত্র পড়ে শুনান দশম শ্রেনী বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছামিয়া খাতুন।

You can add location information to your Tweets, such as your city or precise location, from web and via third-party applications. You always have the option to delete your Tweet location history. Learn more

জেনেভাভিত্তিক সম্মানজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের ‘দ্য গ্লোবাল এনেব্লিং ট্রেড রিপোর্ট ২০১২ : রিডিউসিং সাপ্লাই চেইন ব্যারিয়ার্স’ প্রতিবেদনের এনেবলিং ট্রেড ইন্ডেক্সে (ইটিআই) ১৩২টি দেশের মাঝে বাংলাদেশের অবস্থা দেখানো হয়েছে ১০৯তম। ২০১০ সালে ১২৫টি দেশের মাঝে এটি ছিল ১১৩। এমন প্রেক্ষাপটে কেউ কেউ বলছেন, সার্বিকভাবে সূচকে কিছুটা উন্নতি হলেও প্রকৃতপক্ষে অনেক পিছিয়ে আমরা। কোনো দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিবেশ উঠে আসে বলে অনেক বিদেশিই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন ইটিআই দেখে। এ অবস্থায় কারও কারও মতে, ব্যবসায়িক সক্ষমতার বিস্তারিত বিবরণের চেয়ে এটিকে বিনিয়োগ পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন বলাই শ্রেয়। ওই বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০১২ সালে ব্যবসায়িক সক্ষমতায় বাংলাদেশের চেয়ে অনেকটাই শ্রীলংকা ও কিছুটা এগিয়ে ভারত; আবার পাকিস্তান কিছু ও নেপাল অনেকটা পিছিয়ে আমাদের চেয়ে। ২০১০ সালের তুলনায়ও ২০১২ সালে কিছুটা বেড়েছে ইটিআই স্কোর। তবে এসব ক্ষেত্রে উন্নতি আশানুরূপ, বলা যাবে না। ফলে উচিৎ হলো, ইটিআইকে গুরুত্ব দিয়ে এতে চিহ্নিত দুর্বলতা দূরীকরণে মনোযোগী হওয়া।

Hey, My name is Nazmul Hasan Majumder . I’m passionate about writing & Seo Analyst, love to work on Animation & Web Development. All time, I usually try to up to date on tech stuff & E-Commerce industry,especially on marketing strategy & software of online world. You can join me on Facebook : https://www.facebook.com/nazmulhasanmajumder

শুরুতে উদ্বোধনের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারী ঘোষণা হলেও শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (সিসিসিআই) আয়োজিত ২০তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা স্থানীয় রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ডে শুরু হয় ২৪ ফেব্রুয়ারী। অবশ্য গত বছর এটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল মার্চে। মেলা চলবে মাসব্যাপী; প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। ২৩৯টি স্টলসহ ৩৫০ টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে এতে। নবমবারের মতো অংশীদার দেশ হিসেবে মেলায় থাকছে থাইল্যান্ড; অংশ নিচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও। ভালো হতো, যদি প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারকেও অন্তর্ভুক্ত করা যেত এতে। সেখানকার অনেক পণ্যেরই চাহিদা রয়েছে দেশে। চট্টগ্রামের তাদের যোগাযোগও সহজ ও ঐতিহাসিক। এ অবস্থায় মেলায় মিয়ানমারকে অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে দুদেশের রাজনৈতিক উন্নয়নও হতো সহজতর।

SSL এসএসএল এর অর্থ SECURE SOCKETS LAYER , ওয়েবসাইটে ক্রেতার তথ্য সুরক্ষিত রাখার একটি ভাগ কিংবা স্তর বলা যেতে পারে এই এসএসএল’কে । SSL ইন্টারনেট মাধ্যমে প্রেরিত সকল তথ্য কিংবা ডাটাকে সুরক্ষিত রাখে এবং ক্রেতা কিংবা সেই ওয়েবসাইট থেকে সেবা গ্রহণকারীকে সকল তথ্য নিরাপদ রাখে ।

ইদানীংকালের অনেক চাকরি কোর্স-কারিকুলাম খায় না। স্কিল, নলেজ, লিডারশীপ কোয়ালিফিকেশন খায়। তাই নামহীন ভার্সিটির দামহীন সাবজেক্টের অনেকেই দ্বিগুণ নলেজ, তিনগুণ স্মার্টনেস শো করে সুযোগ ম্যানেজ করে ফেলতে পারে। হয়তো নামি ভার্সিটির দামি সাবজেক্টের সীল থাকলে সেও ইন্টারভিউর ভিআইপি লাইনে থাকতে পারতো। সেই সুযোগ পাচ্ছে না দেখে, পরিশ্রম দিয়ে পুষিয়ে দিচ্ছে। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বেশিরভাগ পোলাপান স্কিল ডেভেলপমেন্টের কম্পিটিশনে না নেমে, হতাশার এডিকশনে ভোগে। চেষ্টার পিছনে না ছুটে, ঢিলামির বাক্সে বন্দি থাকে। আড্ডার চাদর গায়ে দিয়ে, দুই সেমিস্টারে চার সাবজেক্টে ফেল করে।

মালিশ করতে তেল ভালো হলেও খাওয়ার জন্য ঘি সেরা। আর এই কারণেই হয়ত প্রাচীন প্রবাদের জন্ম ‘ঋণ করে হলেও ঘি খাও’। শুধু এই উপমহাদেশে নয় বর্তমানে ঘিয়ের কদর সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। হয়ত প্রবাদ পরিবর্তিত হয়ে হবে ‘দরকার হলে ক্রেডিট কার্ড দিয়েও ঘি কিনো!’ কেনো ঘিয়ের এত ক

দেশের অনলাইন বাজারে ক্রেতার আস্থা অর্জন এবং সর্বসাধারণের কাছে অনলাইন শপিংকে নির্ভরযোগ্য করতে আইন প্রণয়ন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ করার ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। গত মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে ‘এনআরবি বাজার গ্রেট অনলাইন শপিং ফেস্ট’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। বিস্তারিত জানুন এখানে।

রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি অবৈধভাবে দখলের দৃষ্টান্তও রয়েছে বিস্তর। ক্ষমতাসীন সরকারগুলোর স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের দখলদারী মনোভাবই এজন্য মূলত দায়ী। তাদের শক্তি-মত্তার সামনে কেন্দ্রীয় প্রশাসনেরও নাকি কিছু করার থাকে না অনেক সময়। বছরখানেক আগে রেলওয়ের জমি দখল করে মার্কেট নির্মিত হয় খোদ রাজধানীতেই। প্রশাসন বাধা দিয়েও নাকি এর নির্মাণ বন্ধ করতে পারে নি। চলতি মাসের শুরুতে যোগাযোগ ও রেলমন্ত্রী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখা না পারায় সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন খুলনা রেঞ্জের কয়েকজন কর্মকর্তাকে। ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি দখলদারদের সরে যেতে নির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে দেন তিনি। এসব স্বত্বেও জানা গেলো, অবৈধ স্থাপনাগুলো এখনো সেখানে রয়েছে বহাল তবিয়তে।

চলতি বছরের জুনে ফ্রুট বেজড ড্রিংকস উৎপাদনে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) প্রণীত সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী দেশে জুসের নামে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ফ্রুট ড্রিংকস বিক্রি হচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ১০ আগস্টের বণিক বার্তায়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দুই মাসের মধ্যে এ-সংক্রান্ত লেবেল পরিবর্তনের নোটিস দেয়া হয় তখন। অবশ্য আইনটি মানা না হলে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে, তার কোনো নির্দেশনা ছিল না। এরই ফলোআপ ছাপা হয়েছে গতকালের পত্রিকায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিবাচকভাবে ও দ্রুতই সাড়া দিয়েছে বিএসটিআইয়ের আহ্বানে। তবে অনেক প্রতিষ্ঠানের মোড়ক বিদেশে তৈরি হয় বলে যুক্তিসঙ্গত কারণে বাড়তি সময় চেয়েছে তারা। বিষয়টি বিএসটিআইও বিবেচনা করবে বলে প্রত্যাশা। লক্ষ্যণীয় হলো, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা বাস্তবায়নে অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন গড়িমসি করে, এবারে তা দেখা গেলো না। তার সঙ্গে এও বলা ভালো, লেবেল পরিবর্তন যতটা হলো, পণ্য তথা ওসব পানীয়ের মান নিয়ন্ত্রণ ততটা সহজ হবে বলে মনে হয় না। আর এটাই সম্ভবত নীতিমালাটির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ।

তাই আপনি যদি ইমেজ আপনার সামগ্রিক বিপণন কৌশল করতে এত গুরুত্বপূর্ণ, আপনি কি যদি আপনি এটি আপনার ওয়েবসাইটের যে চিত্র আরো প্রদর্শিত আবিষ্কার করবেন? আপনি সম্প্রতি 4.4 সংস্করণ থেকে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস আপডেট থাকে, তাহলে আপনি সম্মুখীন হতে পারে।

ক্রেডিট কার্ড নীতিমালা বাস্তবায়নের আগেই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কার্ড ব্যবসা করে এমন শীর্ষ ব্যাংকগুলোর দাবির মুখেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল সোমবার ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এক সভায় এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গত ১১ মে ক্রেডিট কার্ড

গত ২১ নভেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশ সরকারের গেজেটে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) অব্যাহতি দেয়া হয়েছে স্থানীয়ভাবে তৈরী এয়ারকন্ডিশনারে। অনেক ধরেই অবশ্য বলা হচ্ছিল, এ দেশে হাল্কা প্রকৌশল একটি সম্ভাবনাময় শিল্প। গত বাজেটেও বলা হয়, কর্মসংস্থান বাড়ায় এমন খাতসমূহ যেমন ভারীশিল্প, রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, পূর্নাঙ্গ এনার্জি সেভিং বাল্ব প্রভৃতি হালকা প্রকৌশল শিল্প ও সব পণ্যের কাঁচামাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে আগামী পাঁচ বছর অর্থাৎ ২০১৬ অর্থবছর পর্যন্ত মূসক অব্যাহতি দেয়া হবে। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েকদিন আগে প্রথমে স্থানীয়ভাবে তৈরী মোটরপার্টস ও রেফ্রিজারেটর-ফ্রিজারে মূসক অব্যাহতি দেয় সরকার। এসব পদক্ষেপ হাল্কা প্রকৌশল শিল্পে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের আশাবাদী করে তুলবে সন্দেহ নেই। বিদেশেও এসব শিল্পপণ্যের বড় বাজার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মূসক অব্যাহতি পাওয়ায় দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের পক্ষে সহজ হবে রফতানিতে প্রতিযোগিতা করার। দেশেও এ পণ্যগুলো আগামীতে পাওয়া যাবে কম দামে। এক্ষেত্রে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট হতো, গেজেটে কেবল দেশী কোম্পানীই এমন সুবিধা পাবে, উল্লেখ না থাকলে। গেজেটটিতে বলা হয়েছে, সুবিধা পেতে হলে উৎপাদনকারী স্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে পণ্যে মূল্য সংযোজন করতে হবে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ। এতে আরও বলা হয়, এয়ারকন্ডিশনারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উৎপাদন করতে হবে দেশে এবং নিজস্ব মোল্ড, ডাইস, মেশিনারিও থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। বিদেশ থেকে আমদানী করে দেশে সংযোজন করা হলে অবশ্য এ সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ বিধিমালাগুলো শক্তিশালী নিঃসন্দেহে। তবে মুসক অব্যাহতি ও সস্তাশ্রমের এমন সুযোগে বিদেশী কোম্পানীগুলো দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসা করতে চাইলে সে ক্ষেত্রে বিধির প্রয়োগ কেমন হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে যায়।

আধুনিক যুগে একজন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা  চায় তার সবই রয়েছে পোল্যান্ডে। অনেক ইউরোপিয় দেশের তুলনায় জীবন-যাপন খরচ কম, সহজ ভিসা প্রক্রিয়া, এই ছাড়াও একজন শিক্ষার্থী পোল্যান্ডে পড়ালেখা শেষে ইউরোপের যে কোনো দেশে বসবাস, চাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পেয়ে থাকে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য একটি আদর্শ দেশ হতে পারে পোল্যান্ড।

ইদানীং কলচার্জ ও পালসের ক্ষেত্রে নিম্নসীমা বাস্তবায়নেই বেশি জর লক্ষ্যণীয় হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উর্ধ্বসীমা বাস্তবায়নেই বেশি দৃষ্টি দেয়া দরকার বলে মনে করেন অনেকে। তার মতে, নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি কেউ কলচার্জ নিতে পারবে না বা পালস রেট এর বেশি হতে পারবে না- তা বাস্তবায়নেই বেশি মনোযোগী হওয়া উচিৎ বিটিআরসির। গত কয়েক বছরে এ দেশে ইন্টারন্যাশনাল কলের দানা-প্রদান বেড়ে। এ ক্ষেত্রে ভিওআইপি কল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কলচার্জ কমানোয়ও দৃষ্টি দেয়া দরকার। আবার প্রি-পেইডে স্বাধীনতা দিয়ে প্লেইন প্যাকেজে কলরেট ও পালস নির্দিষ্ট সীমায় রাখতে বাধ্য করা যেতো অপারেটরদের। তাতে অপারেটরদের ব্যবসা বাড়ার সুযোগ পেতো। বিটিআরসির নিয়ন্ত্রণ আরও সংহত হতো এ খাতে।

জনসংখ্যার সঙ্গে মানুষের আয়ের বৃদ্ধি ও দেশে শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটায় জমির দাম বাড়ছে সারা দেশেই। এ প্রেক্ষাপটে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইজারাদার ও অবৈধ দখলকারীর বিরুদ্ধে কেবল আইনগত অবস্থা নিয়েই অব্যহৃত রেলওয়ের জমি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব কিনা, নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই। এমন পরিস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান জোরদারের পাশাপাশি নতুন করে ও বাস্তবসম্মতভাবে জমির বার্ষিক ইজারামূল্য নির্ধারণে দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন। আর বিক্রয়ের ক্ষেত্রে দাম নির্ধারণ করতে হবে বাজার দরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণভাবেই। জমির ইজারাদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখাও জরুরি। অনেকে অবশ্য বলেন, সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি বিক্রি হওয়াটাই ভালো। মাথাপিছু জমির পরিমাণ কমায় নতুন সড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ সহজ নয় বলে এবং পরিবেশ দূষণ, যানজট, ব্যয়সাশ্রয় প্রভৃতি কারণে রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে জোর দেয়া হচ্ছে ইদানীং। রেলওয়ের অব্যবহৃত জমির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে এদিকটিও।

বন্দর ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ বলছেন, মংলা বন্দর ব্যবহারে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ- নানা প্রতিশ্রুতির পরও যুগোপযোগী পণ্য খালাস ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অভাব। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরে চালু হয়েছে সিটিএমএস ব্যবস্থা। সেখানাকার কাস্টম বিভাগেও সংযোজিত হয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতি। এতে সার্বিকভাবে কমেছে পণ্য লোড-আনলোডের সময়। এদিকে মংলায় এসব সুবিধাদি কমই বলা চলে। এতে জোরালো সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও শিল্প নগরী খুলনা হতে পারছে না বন্দর নগরী।

এ ধরনের ঘটনা দেশের শিল্প-কারখানা এমনকি তৈরি পোশাক কারখানায়ও একেবারে পুরনো। নিকট অতীতেও প্রায়ই শোনা যেত, প্রথমে মজুরি নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ ও পরে শ্রমিক-পুলিশ ব্যাপক সংঘর্ষ। ঈদে কাঙ্ক্ষিত বেতন-ভাতা না পাওয়ায়, শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেছেন বা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে এবং এতে করে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে- কয়েক বছর আগের এসব ঘটনা এখনো ভুলবার নয়। এমন অধিকাংশ ক্ষেত্রে আবার দেখা যেতো ঘটনার সূত্রপাত হলো- পুলিশ কর্তৃক অন্যায়ভাবে শ্রমিককে মারধোর বা কেবলই গুজব। এমনও ঘটেছে, যাকে প্রহার করা হয়েছে বলে সংঘর্ষ বেঁধেছে, পরে দেখা গেছে ওই ব্যক্তি ঘটনার দিন অনুপস্থিতি ছিলেন কারখানায়। অনেক সময় শ্রমিকদের বিষয়টি কারখানার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ভালোমতো বুঝতে না পেরে ভয়ে নিতেন কঠোর ব্যবস্থা; যেগুলোর ফল অনেক সময়ই ছিল উল্টো। ভুল বোঝাবুঝির ফলে সৃষ্ট এসব সংঘাত-সংঘর্ষ এক পর্যায়ে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও উদ্যোক্তাদের মাঝে এতটাই বাড়িয়েছিল যে, শ্রমিকরা বলতেন ঔপনিবেশিক শাসন চলছে গার্মেন্টসগুলোয়; অন্যদিকে উদ্যোক্তাদের বক্তব্য ছিল, গার্মেন্টস শিল্পকে বাঁচাতে অবিলম্বে শ্রমিক ইউনিয়ন বন্ধ করা দরকার। অবশ্য ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে উদ্যোক্তারা নমনীয়তা দেখানোয়, শ্রমিকদের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মজুরি নিশ্চিত হওয়ায়, সমস্যাটি ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় এখন নেই বললে চলে।

অধিকাংশ দেশে সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ক্ষেত্রে বীমা করা হলেও বাংলাদেশে তা নেই বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে গতকালের বণিক বার্তায়। দুর্ভাগ্যজনক হলো, এসব ক্ষেত্রে বীমার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষেরই নাকি রয়েছে উদাসীনতা। এতে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিষয়ে এগিয়ে এলেও সফল হতে পারছে না। অথচ আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে কেবল মানসম্মত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যেই নয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বীমা রাখার পরামর্শ দেয়া হয় সার্বিকভাবে দক্ষতা বাড়াতেও। অবকাঠামো উন্নয়নশীল দেশে অবকাঠামো কম-বেশি অনিয়ম শোনা প্রায় সবখানেই। এ ক্ষেত্রে অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বহীনতার অভিযোগও কম নয়। এ অবস্থায় অবকাঠামো নির্মাণ ও সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে মান বজায় রাখতে বীমা করা দরকার।

এছাড়া আপনার পরিচিতদের মাঝে আপনার হোস্টিং সার্ভিস সম্পর্কে বলতে পারেন। এছাড়া কয়েকজনকে ফ্রি সার্ভিস দিয়ে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে তার মতামত দিতে অনুরোধ করতে পারেন। প্রথম দিকের কাস্টমারদের খুশি করতে পারলেই পরে তাদের রেফারেন্সে অনেক কাস্টমার পাওয়া যাবে।

পরিচালন ব্যয় কমাতে অনেক দেশে নির্দিষ্ট এলাকায় সব অপারেটরের একটিমাত্র বিটিএস রাখার দৃষ্টান্ত রয়েছে বহু আগে থেকেই। সেদিক থেকে দীর্ঘ সময় পর তৃতীয় পক্ষের হাতে টাওয়ার পরিচালনের দায়িত্ব তুলে দেয়ার ইচ্ছাকে অনেকটা দেরী বলা যায়। অবশ্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে অপারেটরের মাঝে যেমন পারস্পরিক সমঝোতা প্রয়োজন ছিল এতদিন হয়তো তা সেভাবে তৈরি হয় নি। এবার সেটি হওয়ায় অপারেটরগুলোর সম্মিলিত শক্তি বাড়বে। এ প্রেক্ষাপটে গ্রাহক সেবার মানও বাড়বে বলে সবার প্রত্য্যাশা। তবে খেয়াল রাখা দরকার, একটি বিটিএস টাওয়ারে একাধিক অপারেটরের অ্যাক্সেস থাকলে সামগ্রিকভাবে পরিচালন ব্যয় কমে। সিগন্যাল দুর্বল ও একব্যান্ডের তরঙ্গ কর্তৃক অপরটি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সম্ভাবনাও থেকে যায় সে ক্ষেত্রে। এতে অনেক সময় কথা বলতে বলতে ফোন কেটে যায়; দেখা যায় কথা বলা ও শোনা ব্যাহত হতেও। তৃতীয় পক্ষার হাতে বিটিএস টাওয়ারের দায়িত্ব তুলে দেয়ার আগে এসব দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যৌথভাবে টাওয়ার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে হলেও ওয়াইম্যাক্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেয়া যায় কিনা, ভাবা যেতে পারে।

বাংলাদেশের আবাসন খাতে ব্যাপক পরিবর্তন: একে বাঁচানোর উপায় কী? – অল্প কয়েক বছর সময় কী পার্থক্যই না গড়ে দিতে পারে: ২০১০ সালে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এক সোনালি সময় পার করে যেখানে ঘুরে দাঁড়ানো, সেখানে বাড়ি বিক্রয় এবং অ্যাপার্ট…

One Reply to ““এসএসএল সার্টিফিকেট কী ব্যবহার এক্সটেনশন””

  1. সরকারের সিসিএর নিয়ন্ত্রক আবুল মনসুর মোহাম্মদ সরাফউদ্দিন ৮ জুন পিকেআই ফোরামের এক অনুষ্ঠানে জানান, নাগরিক ই-সেবায় দক্ষিণ কোরিয়া এখন বিশ্বে ১ নম্বর। তাদের সব নাগরিক সেবা অনলাইনের মাধ্যমে নিরাপদভাবে পাওয়া যাচ্ছে এবং নাগরিকরা তা ব্যবহার করছে। বাংলাদেশেও সচেতনতা বাড়াতে পারলে এর ব্যবহার বাড়বে। সরকারি কার্যক্রমে শিগগিরই ই-নথিতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ব্যবহার শুরু হবে।
    গুগল, ইউটিউব, ইয়াহু, ফেসবুক, টুইটার, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার ইত্যাদি সহ সকল অনলাইন ব্যাংকিং ওয়েবসাইট এসএসএল ব্যবহার করে থাকে—কেনোনা এরা প্রত্যেকেই অনেক সংবেদনশীল তথ্যের আদান প্রদান করে থাকেন । এছাড়াও বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ব্লগারগণ ওয়ার্ডপ্রেস অথবা গুগলের ব্লগার এর সাব ডোমেইন নিয়েও সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা বা অনান্য সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকেন। এই ক্ষেত্রে তাঁদের ওয়েব ডোমেইন স্বতন্ত্র না হলেও কিছুটা সুরক্ষিত।
    এন আই খান: পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে মাল্টিমিডিয়া বই তৈরি করা হবে। জোড়েশোরেই সফটওয়্যার পার্কের কার্যক্রম চালু করতে চাই। ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইচ্ছাটি বাস্তবে রূপ দেওয়া এবং সারা দেশে বেশ কিছু আইসিটি পার্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    এরই মধ্যে দেশে প্রতিষ্ঠিত শিল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে পোল্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে ডিম ও মাংসের জন্য আলাদা মুরগী নির্বাচন, তাদের বৈজ্ঞানিক উপায়ে লালন-পালন ও সুষম খাদ্য সরবরাহ। লাভজনক হওয়ায় সাম্প্রতিককালে অনেক প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাও এগিয়ে এসেছেন পোল্ট্রি ফিড উৎপাদনে। আমিষের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস গরুর দুধ ও মাংসের চাহিদাও কম নয় দেশে। সে তুলনায় অপ্রতুলই বলা যেতে পারে এর সরবরাহ। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির অন্যতম কারণ আবার সুষম গোখাদ্যের ঘাটতি। এ কথা সত্য, এখন অনেকে জানেন গরু লালন-পালনের আধুনিক উপায়; স্বল্প সময়ে গরু মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়া প্রভৃতি। জটিলতা হলো, পরবর্তী সময়ে মুনাফা উঠে এলেও গরু মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়ার মোট ব্যয় নেহায়েত কম নয়। এ ক্ষেত্রে গোখাদ্য মিশ্রণ প্রণালী খানিকটা জটিল হওয়ায় বিশেষত অনেক নিম্নবিত্ত কৃষক প্রচলিত উপায়েই খাদ্য সরবরাহ করেন গরুকে। এতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে গরু হয় অপুষ্টির শিকার ও সেগুলো সাধ্যানুসারে দুধ ও মাংস দিতে পারে না। অথচ পোল্ট্রির মতো তৈরিকৃত গোখাদ্য সরবরাহ করা গেলে বাণিজ্যিকভাবে গরু পালনে উৎসাহ পেতেন অনেকেই; ঝামেলা কমে যেতো এ ক্ষেত্রে এবং এসব গরু থেকে মাংস ও দুধ উৎপাদন বেড়ে যেত কয়েকগুণ।
    সে হোটেল কন্টিনেন্টাল আবার ফিরে আসছে কন্টিনেন্টাল ঢাকা নামে। পরিবর্তনটা টের পাওয়া যায়। এআবে ‘হোটেল’ নয় ধ্বনিব্যঞ্জনায় হাইলাইটেড হলো ‘ঢাকা’। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকার গুরুত্ব বাড়াই ইঙ্গিত করছে এটি। প্রাকৃতিক সপ্তাশর্য নির্বাচনের ভোটে বাংলাদেশ হেরে গেলেও একটি লাভ অবশ্য হয়েছে। ব্যাপক প্রচারণার কারণে নতুন অনেক বিদেশি জানতে পেরেছেন- বাংলাদেশ নামে একটি দেশ রয়েছে, যেখানে ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে। এভাবে কৌতূহল থেকেও আসছেন অনেকে। এদিকে দেশের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বও বাড়ছে। নানাভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে উচ্চারিত হচ্ছে আমাদের। কোনো কোনো ব্যবসায়ী এখানে আসছেন শ্রমশক্তি তাদের দেশে আমদানির উদ্দেশ্যে। কেউ কেউ আবার এ দেশে আসছেন ব্যবসার লক্ষ্যে। দেশি ফুটবলে বিদেশিরা খেলে আসছেন দীর্ঘদিন। বিদেশি ক্রিকেটাররাও আসছেন এখন। আমাদের বড় প্রচারণা ছিল ২০১১ সালে যৌথভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজন ও একই বছর বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা মেসির আগমন। এতে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে মানসম্মত হোটেলের চাহিদা। তাছাড়া বিদেশে গেলে যে কেউ চাইবেন এমন হোটেলে উঠতে যেটি তার পরিচিত যার অন্তত তিনি শুনেছেন। এ ক্ষেত্রে বিদেশিদের জন্য ‘ইন্টারকন্টিনেন্টাল’ শব্দটি যথেষ্ট আস্থাপূর্ণ। পরোক্ষভাবে বললে, আইএইচজি এমন সময়ে রূপসী বাংলার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে, যখন এ থেকে মুনাফা করার সুযোগ আগের চেয়ে বেড়েছে বহুগুণ। আগামী দিন দশক এ থেকে তারা লাভবান হবে বলে আশা করা যায়। এরপর অবশ্য আরেকটি সুযোগ তৈরি হবে- কে নেবেন এর ইজারা। এ সময়ের মধ্যে নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়ে সেটি নিতে পারি আমরাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *