“এসএসএল সার্টিফিকেট কীটোল”

দুদক বলেছিল, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিআরডি), গৃহায়ন অধিদফতরসহ প্রায় ১১টি বড় সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি উৎসাহিত করে পরিচালন পদ্ধতিতে এমন দুর্বলতা চিহ্নিত করবে তারা। এর মাঝে এনবিআরে সংঘটিত অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায় নি কেন, তা বোধগম্য নয়। বিআরটিএ-তে দুদকের প্রতিবেদন সামনে রেখে একাধিক মামলা হলেও তা অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ‘বদলী’ হওয়ায়। মামলাই হয় নি এলজিআরডিতে। গৃহায়ন অধিদফতরে নাকি ঘুষ দিতে হয় খোদ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। অনিয়ম প্রমাণ হলেও এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না কোনোভাবেই। সম্ভবত এটি পরিণত হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির আদর্শিক দৃষ্টান্তে। বড় অনিয়মের খবর মিলেছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে। আর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে ঘটমান অনিয়ম নিয়েও নতুন করে কিছুর বলার নেই। এ অবস্থায় অনিয়ম অনুসন্ধানে দুদককে অসহোযোগিতা ও হীন উদ্দেশ্যমূলক বদলীর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দুদকের পরামর্শ বাস্তবায়ন, সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠা এবং আইন ও কমিশনটিকে আরও শক্তিশালীকরণের প্রয়োজনীয়তাও অনস্বীকার্য।

লোডশেডিংয়ে দেশের অন্যান্য শিল্প-কারখানার মতোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের হোসিয়ারি শিল্প; বিদ্যুতের অভাবে উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে সেগুলোর। আরও জটিলতা হলো, নারায়ণঞ্জে অবস্থিত হোসিয়ারি ইউনিটগুলোর উৎপাদনক্ষমতা কম; দৈনিক ১২ ঘন্টা হিসেবে সপ্তাহে দেড় থেকে দুই ডজন পণ্য। এ অবস্থায় ইউনিটপ্রতি হোসিয়ারি পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে নতুন, ব্যয়সাশ্রয়ী ও অধিক উৎপাদনক্ষম প্রযুক্তিতে দৃষ্টি রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীদের। সে ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত যন্ত্রপাতি আমদানি সুবিধার দাবিও নতুন করে তুলতে পারেন তারা। অন্যান্য শিল্পের মতো হোসিয়ারি শিল্পেও রয়েছে শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা। আবার এতে স্বল্প মজুরির পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিকের আধিক্যও লক্ষ্যণীয়। অথচ সার্বিকভাবে উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে শ্রমিককে যেমন উপযুক্ত মজুরি দিতে হবে, তেমনি শ্রমিককেও গড়তে হবে দক্ষ করে। এ দিকটিতে মালিক-শ্রমিকের নজর থাকা চাই। হোসিয়ারি কারখানায় ব্যবস্থাপনা দুর্বল হওয়াতেই নাকি ঘটেছে বেশির ভাগ শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবস্থাপনা উন্নয়নেও সজাগ থাকতে হবে কর্তৃপক্ষকে।

মুক্তিযুদ্ধে যারা সশস্ত্র ট্রেনিং নিয়েছিলো তাদের ট্রেনিং এর পরে ছবি তুলে নামসহ পূর্ন পরিচয় লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল ভারতীয় ট্রেনিং ক্যাম্পগুলোতে যার সংখ্যা ছিল উন সত্তর হাজার এবং এই তালিকা ইবিআরসিতে সংরক্ষিত আছে। এর বাইরে ছিল ইপিআর,পুলিশ,ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্য,মুজিব বাহিনী,বাম জোট এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো প্রতিরোধ পর্ব থেকে শুরু করে পুরো মুক্তিযুদ্ধে অনেকেই স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের থেকে ট্রেনিং গ্রহন করেছে যাদের নাম তালিকায় নেই। সব মিলিয়ে যে সংখ্যা হবে কমপক্ষে দেড় লক্ষাধিক। এটি আমার কথা নয়,এই কথাটি বলেছেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) আমিন আহম্মদ চৌধুরী। [২]

কাউকে চিঠি লিখলেন। খামে পুরে পাঠিয়ে দিলেন কোনো মাধ্যম বা কারো হাতে। আপনার চিঠি যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ পড়ে ফেলে, তা প্রেরক ও প্রাপক দুজনের জন্যই শঙ্কার কারণ হতে পারে। কিন্তু চিঠিটি যদি সিলগালা করা থাকে, তাহলে পথে কেউ খুলেছে কি না তা বুঝতে পারবেন প্রাপক।

জনপ্রিয় কোনো ই-কমার্স সাইট থেকে মোবাইল কেনা এখন সাধারণ মানুষের কাছে পানিভাত। খানিকটা কম দামে পাওয়া যায় বলে অনেকেই অনলাইনে স্মার্টফোন কিনতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আর গ্রাহকদের আরো বেশি করে নেটদুনিয়ার বাজারে টেনে আনতে

আপনার ডোমেইনে SSL ব্যবহার করতে হলে আপনি আপনার বা অন্য কোন ওয়েব হোস্ট প্রোভাডারের কাছ থেকে SSL কিনতে হবে। তারপর সেটা সিপ্যানেলের (cPanel) মাধ্যমে সেটাপ করতে হবে। সিপ্যানেল ছাড়াও আপনি জেডপ্যানেল (ZPane), ভিস্তাসিপি (Vesta Control Panel) বা ওয়েবুজোর (Webuzo) মাধ্যমেও SSL সেটাপ করতে পারবেন।

ডোমেনের সার্ভার অ্যাকাউন্টের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডোমেনটি যাচাই করার জন্য FTP তথ্যটি লিখুন। আপনার ডোমেনটির মালিকানা নিশ্চিত করার জন্য এটি যাচাইকরণ ফাইলগুলি আপলোড করবে। আমরা এফটিপি তথ্য সংরক্ষণ করি না আপনার ফায়ারওয়াল থাকলে and সংযোগ করতে পারলে আপনাকে 67.222.10 হোয়াইটলিস্ট করতে হতে পারে। নীচের ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আপনি একটি “504 গেটওয়ে টাইমআউট” ত্রুটি পেতে পারেন। আপনার সার্ভারে সংযোগের সাথে এটি একটি ত্রুটি। হোস্ট বা পোর্টটি ভুল বা এটি আপনার ফায়ারওয়ালের কারণে হতে পারে এবং আপনাকে 67.222.10. হোয়াইটলিস্ট করতে হবে।

টেক শহর : আমাদের সাইবার সিকিউরিটির বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ? অনেক সরকারি ওয়েবসাইট ইতোমধ্যে হ্যাকের শিকার হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাদের এত বিশাল পরিসরের কার্যক্রমে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি সমান্তরালভাবে আসেনি কেন?

জুলাই ২০১২ সালে ভারতে বিদ্যুতের বিপর্যয় ঘটল। নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় ছাপা হলো একজন বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞের মত। হারিকেন স্যান্ডির কারণে আমেরিকার কোনো কোনো শহর যখন বিদ্যুৎবিহীন, এবিসি নিউজ তখন প্রকাশ করল একই বিশেষজ্ঞের বক্তব্য। যুক্তরাষ্ট্রের এই নামকরা বিদ্যুৎ প্রকৌশলীর অন্তত ১০০ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত বা প্রচারিত হয়েছে সিএনএন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ মূলধারার গণমাধ্যমে।

রাজধানীতে ২ হাজার মিশুক উঠিয়ে সমসংখ্যক সিএনজি চালিত অটোরিকশা (সিএনজি) নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল আগেই। এর মধ্যে গতকালের বণিক বার্তায় খবর এলো, দ্রুত এগুলোর লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। অফিসিয়াল হিসাব মতে, চলাচল নিষিদ্ধ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়েন প্রায় ১ হাজার মিশুক মালিক ও সাড়ে ৬ হাজার চালক। অবশ্য মালিক-শ্রমিকদের দাবি, সংখ্যাটি অনেক বেশি। এখন তাদের ‘বেকারত্ব’ দূরীকরণেই সম্ভবত উঠিয়ে দেয়া মিশুকের ব্লু বুকের বিপরীতে দেয়া হবে সিএনজি লাইসেন্স। নিষিদ্ধ মিশুক রাজধানীর বাইরে বিক্রির অনুরোধও জানানো হয়েছে মালিকদের। এ অবস্থায় মিশুক মালিক-চালক প্রকৃতপক্ষে কতটা ক্ষতির শিকার হন ও সেটি পুষিয়ে দিতে বিআরটিএর পক্ষ থেকে কী কী সুবিধা দেয়া হলো- এ দু’য়ের ব্যালান্স জানতে চাইতেই পারেন অনেকে।

সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে হিমাগারের পাশাপাশি দৃষ্টি রাখতে হবে রোদে শুকানো শুঁটকি ও নোনা মাছের উৎপাদন বাড়ানোর দিকেও। ক্রমে কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মাছ প্রক্রিয়াকরণে মনোযোগ দেয়া দরকার। চামড়া ও মাছ প্রক্রিয়াকরণের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লবণের দামও কমিয়ে রাখা চাই এ ক্ষেত্রে। খেয়াল রাখা দরকার, মাছ আহরণের পর থেকে ব্যবসায়ীদের মূল্য সংযোজনের সুযোগ রয়েছে কয়েকটি পর্যায়ে। ‘অন্যান্য উপায়’ অবলম্বন না করেই এ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা করাও সম্ভব। খাদ্য রফতানিতে সাধারণভাবে অনুসরণ করা হয় আইএসও ২২০০০ মানদণ্ড। মাছজাতীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পক্ষে এটি অনুসরণ করা সহজ বলেই ধারণা; আর এতে সরকারি সহায়তার প্রয়োজনও তেমনটা নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় শুঁটকি সংরক্ষণ তথা মাছ প্রকিয়াকরণ কিন্তু হতে পারে একটি সম্ভাবনাময় ব্যবসা।

চলতি সপ্তাহে ৭ লাখ ১০ হাজার কেজি বিক্রি প্রস্তাবের বিপরীতে চট্টগ্রাম অকশন হাউজে মাত্র দশমিক ৬৫ শতাংশ চা অবিক্রিত রয়ে গেছে বলে খবর রয়েছে গতকালের বণিক বার্তায়। গত সপ্তাহে এমন অবিক্রিত চায়ের পরিমাণ ছিল ১৯ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে বিক্রি বাড়ার অন্যতম কারণ অভ্যন্তরীণ বাজারে চায়ের চাহিদা বৃদ্ধি। সাম্প্রতিককালে এ কারণে রফতানির পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে চা আমদানিও করতে হচ্ছে আমাদের। আমদানিতে সরকার শুল্কহার বাড়ানোয়ও চা বিক্রি বেড়েছে অকশন হাউজে। জানা যায়, বিক্রি বৃদ্ধির সঙ্গে প্রতি কেজি চায়ে ভালো দামও পাচ্ছেন নিলামে অংশগ্রহণকারীরা। ব্যবসায়ীদের জন্য এটি সুখবর। বোঝা যাচ্ছে, আমাদের অভ্যন্তরীণ চা বাজার দাম সহনশীল হয়ে উঠছে গত কয়েক বছরে। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধ শুরু হলে চা রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায় শ্রীলংকার। ওই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অভ্যন্তরে বেশি দামেও চা কেনার বাড়তি চাহিদা থাকার অর্থ হলো- এ ক্ষেত্রে রফতানি নির্ভরতাজনিত ঝুঁকি থেকে অনেকটাই মুক্ত এ দেশের চা শিল্প।

সকালে চিমির আপেল বাগান থেকে নিজ হাতে আপেল পাড়লাম, চা বিস্কুট খেলাম। চিমি এক পলিথিন ব্যাগ ভরে আপেল দিয়ে গেল রাস্তায় খাবার জন্য। পারোর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম ১০টায়। পৌছলাম ১টায়। হোটেল ড্রাগলে উঠলাম। এখানে বাঙ্গালী খাবার পাওয়া যায়। বের হয়ে সাইটসিইং করলাম, রাতে শপিং এরিয়াতে ঘুরলাম, দেখলাম। ১৬ তারিখ পারো থেকে রওনা দিয়ে ফুনশোলিং যাবো ওদের লোকাল কোস্টার বাসে। টিকেট কাটলাম। জনপ্রতি ২৩৫ রুপি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার আলোচিত ঘটনা। প্রতিবছর এর পরিমাণ বাড়ছে। ২০০৫ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ১০ বছরে দেশ থেকে পাচার হয়েছে সাত হাজার ৫১৫ কোটি ডলার বা ছয় লাখ কোটি টাকা, যা আমাদের দুটি বাজেটের সমান। নানা চেষ্টা সত্ত্বেও এ প্রবণতা বন্ধ হচ্ছে না। অর্থ পাচারে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মূলত চারটি কৌশল অনুসরণ করছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এ দেশের কৃষকরা ফসল ফলিয়ে এসেছে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়া তথা প্রাকৃতিক উপায়ে। এখানকার আবহাওয়া অর্গানিক কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিশেষ উপযোগী। তা সত্ত্বেও আমাদের রফতানিযোগ্য অর্গানিক কৃষিপণ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য নয় বলে খবর রয়েছে গতকালের বণিক বার্তায়। দেশে চা ছাড়া রফতানিযোগ্য অর্গানিক পণ্য নেই বলেও জানা যায়। এ জন্য অনেকেই দায়ীও করে থাকেন অর্গানিক চাষাবাদ নীতিমালার অভাবকে। সত্য যে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে তেমন প্রয়োজন না হলেও রফতানির জন্য খুবই জরুরি অর্গানিক পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ নীতিমালা। প্রশ্ন হলো, জনসংখ্যা ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে এ ধরনের খানিকটা কম উৎপাদনশীল পণ্য চাষাবাদে আমরা মনোযোগী হব কিনা এবং হলেও কতটা?

অ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ছিল গণ আড্ডা। উন্মুক্ত বিষয়ে অনুষ্ঠিত এ গণ আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় লেখক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ইয়াসমিন হক। আড্ডায় নানা প্রশ্নের উত্তর দেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে অনেক বাবা মা-ই তাদের সদ্য এইচএসসি পাশ করা ছেলেদেরকে (মেয়েদের বেলাতে এখনও খুব কম শোনা যায়) জার্মানিতে পাঠানোর জন্য উৎসাহিত করে থাকেন। বেশ কিছু ছেলে পেলে আবার নিজের তাগিদেই ভাষা শেখা শুরু করে, স্বপ্ন দেখে জার্মানিতে এসে ভাষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে ব্যাচেলর শেষ করার। বিসাগ গ্রুপে আমাদের কাছে অনেক ছেলে মেয়ে প্রশ্ন করে, জার্মানিতে ব্যাচেলরে আসতে কি কি প্রয়োজন জানতে। আমরা বলি বিএসসি দেশে শেষ করে আসতে পারলে ভাল হয়। একই সাথে ভাষা শেখা ও মাস্টার্সের জন্য প্রস্তুতি নিতে।

টেক শহর: ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অন্যতম উদ্যোগ ছিল দেশীয় ল্যাপটপ দোয়েল। অথচ বাজারে আসার দুই বছর পরও দোয়েলকে ব্যর্থ প্রকল্পই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রকল্পটিতে দূর্নীতিসহ এর গুণগত মান ও পারফরম্যান্স নিয়ে অভিযোগ আছে। কেন এমনটি হল?

মিছিলকারীরা জেসিই এর অপব্যবহার ও অসঙ্গতির নিন্দা জানায়। কারণ এর ফলে ১৯ থেকে ২২ হাজার ফাইল ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে (ডিজিএম) পাঠানোর পথে। সাধারণ আইনী তালিকাভুক্তি থেকে একতরফাভাবে কোন তদন্ত ছাড়াই তাদেরকে ইমিগ্রেশন বইয়ে সরাতে চায়।

আমাদের অনেকেই বর্তমানে সুযোগ থাকায় তাদের পরিবার নিয়ে আসছেন ইতালিতে। এতে করে সন্তানেরা বাবা-মা সহ স্বপরিবারে থাকতে পারলেও পড়াশুনার দিক দিয়ে ওরা নানান সমস্যায় পড়ে যায়। কেননা ওদের সবাই বাংলাদেশে পড়ালেখা করেছে এখন এখানে এসে সমস্যায় পড়ে যায় যেমন নতুন ভাষা, কি ভাবে কি করবে বা কোথায় কি করতে হবে এবং তার চেয়েও বড় সমস্যা হোল এখানে যখন আপনি ওদের ভর্তি করাতে নিয়ে যাবেন তখন ইতালিয়ান স্কুলে ওরা আগে কতটুকু পর্যন্ত পড়েছে এসমস্ত সার্টিফিকেট ইতালিয়ান ভাষায় ট্রান্সলেট করা সহ দেখতে চায়, কাজেই অনেকে এগুলো নিয়ে নানান সমস্যায় পড়ে যায়।তাই আমরা যারা তাদের পরিবার ইতালিতে নিয়ে আসার কথা ভাবছি তারা যেন আগে থেকেই সব কিছু দেশ থেকে তৈরি করে নিয়ে আসতে পারি সে কোথা চিন্তা করে আমরা এখানে দেখবো আপনার সন্তানকে ইতালিয়ান স্কুলে ভর্তি করাতে হলে কি ভাবে কি করতে হবে এবং কি কি কাগজ পত্র প্রয়োজন।

বলা যায়, চিঠির দিন ফুরিয়েছে। তথ্য লেনদেনে ইন্টারনেটের প্রাধান্য এখন। ইন্টারনেট দুনিয়ায় তথ্যের নিরাপত্তায় ডিজিটাল স্বাক্ষর সিলগালার মতো কাজ করে। অনলাইন লেনদেন তথ্য নিরাপত্তায় এই সিলগালায় এমন ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে অনলাইনে তথ্য প্রদানকারী, আবেদনকারী, লেনদেনকারী সবার পরিচয় ‘প্রমাণযোগ্য’ ও ‘নিশ্চিত’ থাকে। এখানে একজনের শনাক্তকরণ চিহ্ন কোনোভাবেই অন্যজন ব্যবহার করতে পারে না। তথ্যের বিকৃতি তো দূরে থাক, তথ্যে অনুপ্রবেশেরও সুযোগ নেই।

এটি ফেইসবুকের একটি ভাল সিকিউরিটি সিস্টেম । এটি অন থাকলে হ্যাকার আপনার আইডির ইমেইল ও পাসওয়াড হ্যাক করলেও লগইন করতে পারবে না, কারণ হ্যাকার আপনার ইমেইল ও পাসওয়াড দিয়ে লগইন বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ইমেইল বা ফোন নাম্বারে একটি approval কোড আসবে সেই কোড ফেইসবুকে সাবমিট করে ফেইসবুক লগইন করতে হবে।

এখানে আপনি একটি ডেডিকেটেড সার্ভার বা শেয়ারড হোস্টিং রিসেল করতে পারবেন। দুটিই রিসেলার হোস্টিং নামে পরিচিত। তবে শেয়ারড হোস্টিং রিসেল করলে খরচ কম পরে। রিসেলার একাউন্ট এর জন্য আপনাকে মাসে সর্বনিম্ন প্রায় ১০$ থেকে ১০০/২০০ $ বা তারও বেশি দিতে হতে পারে। আপনি কি প্যাকেজ কিনছেন তার ওপর।

উদ্যোগ আসলে প্রশংসিত। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল অনেকে যারা সত্যিকার যুদ্ধ করেও এখন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সনদ পাইনি এবং এই উদ্যোগের আগে মারা গেছেন তাদের কি হবে। তারা কি কোন দিনও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পারবে না। সত্যি কথা বলতে খুজ খবর নিয়ে দেখা যাবে এখন যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে লিষ্টে নাম আছে তার মধ্যে শতকরা 30-40% যুদ্ধ করেনি এমন কি পালিয়ে ছিল কিন্তু এখন এক এক সরকারের রাজনীতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা সনদ লাভ করেছে।

এসএসএল ইউজ করা হয় মুলত ওয়েব সাইটের সিকিউর পেজ গুলোতে , যেগুলো থেকে ইউজার ডাটা পাস হয় যেমন- https://member.mywebsite.com হ্যা হতে পারে https://mmywebsite.com যদি হোম পেজ গুলোতেও ডটা পাসিং হয় , যেমন ফেসবুক ।

এন আই খান: ওয়েবসাইটগুলো প্রথমে যে যার মতো করে তৈরি করেছে। প্রথম থেকে অনেক বিধি নিষেধ দিলে শুরু করা অনেক কঠিন হত। আমরা এখন জাতীয়ি একটি নকশা তৈরি করে ন্যাশনাল পোর্টাল ফ্রেমওয়ার্কে নিয়ে আসছি সব ওয়েবসাইট। আমাদের আর্থ সামাজিক অবস্থাটাও একটু ভাবতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশের ওয়েবসাইটই আপডেট হয় না। আমি সিআইএর ওয়েবসাইট দেখেছি, হালনাগাদ নয়।

এন আই খান: পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে মাল্টিমিডিয়া বই তৈরি করা হবে। জোড়েশোরেই সফটওয়্যার পার্কের কার্যক্রম চালু করতে চাই। ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইচ্ছাটি বাস্তবে রূপ দেওয়া এবং সারা দেশে বেশ কিছু আইসিটি পার্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দেশের অন্যতম বাণিজ্যি কেন্দ্র চট্টগ্রামে এ ধরনের জলাবদ্ধতা যাত্রী তো বটেই পণ্য পরিবহনেও সৃষ্টি করছে প্রতিবন্ধকতা। এটি দূরীকরণে নিতে হবে দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ পানি নিষ্কাশনের পথ ড্রেজ করে থাকে। সম্প্রতি এ বিভাগটির কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ড্রেজিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় মেকানিক্যাল বিভাগকে। অনিয়মের অভিযোগে তদন্তই কাম্য; এ ক্ষেত্রে অপারদর্শী কাউকে দিয়ে কাজ করানো মোটেই সুবিবেচনায় পরিচয় বহন করে না। মেকানিক্যাল বিভাগের মূল দায়িত্ব নগর উন্নয়নে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির দেখভাল করা; কোন উপায়ে পানি নিষ্কাশন পথ ড্রেজ করা হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না, সে বিষয়ে তাদের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আশা করা সমীচীন নয়। এ অবস্থায় খতিয়ে দেখা দরকার, মেকানিক্যাল বিভাগকে উক্ত দায়িত্ব দেয়াতেই জলাবদ্ধতা দূরীকরণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অর্ধ-বছরের উদ্যোগ খানিকটা বিফলে গেলো কিনা।

লক্ষ্যণীয় যে, বছরের যে সময়টায় কেনাকাটা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে ওঠে তখন অর্থাৎ রমজানে সিলেটে হকারদের বিরুদ্ধে দানা বেঁধে ওঠে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ। তবে ‘গরিব’ বলে ঈদের আগে হকার উচ্ছেদ অভিযানে আগ্রহী দেখা যায় না ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনকে। পুঞ্জীভূত এ ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ঈদের পর। হকার উচ্ছেদে ঐকমত্য দেখা যায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তাদের পক্ষ থেকে ‘কঠোর কর্মসূচির’ হুমকিও দেয়া হয়। এতে চাপ বাড়ে প্রশাসনের ওপর। এবারও তেমনটি ঘটার আভাষ মিলেছে। গতকালের বণিক বার্তায় খবর রয়েছে, মেয়র ও অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসের পর এখন হকার সমস্যার দ্রুত প্রতিবিধান না পেলে ‘কঠোর কর্মসূচি’ বাস্তবায়ন করবেন শহরের ব্যবসায়ীরা। হয়তো আগের মতোই হকার উচ্ছেদে কিছু ব্যবসায়ী একজোট হয়ে রাস্তায় নামবেন; ফুটপাতে কয়েকটি দোকান ভাংচুর ও সুযোগ মিললে লুটপাটও হবে। প্রশ্ন হলো, এতে সিলেট শহরের হকার সমস্যা মিটবে কিনা?

বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে সিলেটে পরীক্ষামূলকভাবে টি অকশন হাউজ চালুর পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করা হয় চলতি বছরের শুরুতে। নানা জটিলতায় প্রক্রিয়াটি সাময়িকভাবে বন্ধ এখন। প্রত্যাশা থাকলো, সেসব দ্রুত দূরীকরা হবে; পাশাপাশি পঞ্চগড়েও স্বতন্ত্র অকশন হাউজ চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। চট্টগামে অকশন হাউজ করা হয়েছিল প্রধানত চা রফতানির সুবিধার্থে। বিদ্যমান বাস্তবতায় এর গুরুত্ব আগের চেয়ে কম। এদিকে সিলেট ও পঞ্চগড়ের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভারতীয় অকশন হাউজ রয়েছে একাধিক। এমন অবস্থায় সিলেট ও পঞ্চগড়ে অকশন হাউজ খোলা যুগোপযোগী বিবেচিত হতে পারে। পাশাপাশি উভয় দেশের অকশন হাউজেই চা ব্যবসায়ীদেরও সুযোগ দেয়া যেতে পারে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে। এতে রফতানির সুযোগ বাড়বে; সেখান থেকে নিলামে চা আমদানির সুযোগ মিললে আমাদের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ চাহিদাও মেটানো যাবে সহজে।

টিটিসহ আপনারা বেশ কয়েকটি ব্লগ সাইটে   SSL Certificate ক্রয় বিষয়ে বেশ কয়েকটি দেশী কোম্পানী গুলোর স্পন্সর দেখবেন। তবে এদের মধ্য অনেকের টালবাহানাও আছে। এটা কি তাদের বিজনেস পলিসি নাকি অজ্ঞতা সেটা আমি সঠিক বলতে পারব না। তবে নিম্নের গল্পটি পড়লে বুঝতে পারবেন। এই তো প্রায় ২/৩ দিন আগেকার কথা! আমার এক বন্ধু ইংরাজীতে ওয়েব সাইট করেছে। বেচারা অবশ্য নিরলস পরিশ্রম করছে, ইচ্ছা আছে সে এটিকে ব্যান্ড হিসাবে স্মল বিজিনেসে দাঁড় করাবে। সুতরাং সে একটি দেশী কোম্পানী হতে  SSL অর্ডার দেয় (টিটিতে পলিসি ভঙ্গ হবে বিধায় পূর্ন নাম বলছিনা, তবে প্রথম অক্ষর R হবে) ৫৬০৳ পরিশোধ করে। অথচ বন্ধজন SSL সেটআপ করতে জানে না। পরবর্তীতে ঐ কোম্পানীকে অনুরোধ করা হয়  SSL টি সেটআপ করে দিতে।

প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে “গান শেখানো হয়” – হাম্পব্যাক তিমি নিজে শুধু গান গায়ই না বরং অন্যান্য তিমি কে গানও শিখায়। এবং কিছু কিছু গান বিশ্ব বিখ্যাতও হয়েছে এবং জনপ্রিয়তার (মূলতঃ তিমিপ্রিয়তা ) জন্য সেই …

সমাধান : ইস্টার এগ হলো, যে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটটি ডেভেলপ করা হয়েছে, তা লিঙ্কের মধ্যে এক্সটেনশন আকারে দেখা। পিএইচপিতে বাই ডিফল্ট ইস্টার এগ এনাবল্ড করা থাকে। ফলে হ্যাকরেরা জানতে পারে কোন ওয়েবসাইট কী ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে ডেভেলপ করা হয়েছে। সুতরাং এটিকে ডিজ্যাবল করতে হবে।

সবাই ফাস্ট লোডিং ওয়েবসাইট পছন্দ করে। শুধু আপনার নয়, বরং গুগল সহ আরো সকল সার্চ ইঞ্জিন‘রাও ফাস্ট লোডিং ওয়েবসাইটকে গ্রীন সিগন্যাল দিয়ে থাকে। আপনার হয়তো অনেক সুন্দর একটি ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে হাই কোয়ালিটির ইমেজ ব্যবহার করেছেন, অনেক টেক্সট রয়েছে, যদি ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট বানিয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয় প্ল্যাগইন সেখানে ইন্সটল করে রেখেছেন! —কিন্তু আপনার সাইটের সাথে যতোবেশি কাজ করার চেষ্টা করবেন, সেটা লোড নিতে ততোবেশি দেরি করবে। আর আপনাকে ওয়েবসাইট ফাস্ট করার জন্য দরকার হবে ওয়েবসাইট অপটিমাইজেশন করার। যদিও ওয়েবসাইট স্পীড অপটিমাইজেশন করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে, কিন্তু এই আর্টিকেলে আমি সিডিএন (CDN) (কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক) ব্যবহার করে ওয়েবসাইট অপটিমাইজেশন করা সম্পর্কে আলোচনা করবো। আর আপনার সাইটটি যদি ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি হয়, তো ফ্রী’তে আপনার সাইটের স্পীড খানিকটা বাড়িয়ে নিতে পারবেন, সাথে সেটআপ প্রসেসে একটুও গা ঘামাতে হবে না!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *