“এসএসএল সার্টিফিকেটগুলি aws”

এটি ফেইসবুকের একটি ভাল সিকিউরিটি সিস্টেম । এটি অন থাকলে হ্যাকার আপনার আইডির ইমেইল ও পাসওয়াড হ্যাক করলেও লগইন করতে পারবে না, কারণ হ্যাকার আপনার ইমেইল ও পাসওয়াড দিয়ে লগইন বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ইমেইল বা ফোন নাম্বারে একটি approval কোড আসবে সেই কোড ফেইসবুকে সাবমিট করে ফেইসবুক লগইন করতে হবে।

দীর্ঘদিন মোটামুটি স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাওয়ায় স্থানীয় সেলফোন অপারেটরগুলো অনেক ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারিতা দেখায় বলে অভিযোগ। এতে সেবার বদলে গ্রাহকরা অনেক সময় ভোগান্তির শিকার হন। এ অবস্থায় তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনার গুরুত্ব অস্বীকার করা যাবে না। এও লক্ষ্য রাখতে হবে, নিয়ন্ত্রণের প্রভাবে ব্যবসার সুযোগ যাতে সীমিত হয়ে না পড়ে। সম্ভাবনাময় এ খাতটি যেন আরও বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়। তাছাড়া এমন তো নয় যে, খাতটি হোঁচট খাচ্ছে বা নিজে থেকে আক্রান্ত হয়েছে জটিল সমস্যায়। বরং এ খাতটি পূর্ণতা পাচ্ছে ও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে টেলিযোগাযোগ খাতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হবে গ্রাহকের স্বার্থ ও অপারেটরের ব্যবসা- উভয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখেই। আর তা করা কঠিন বলেও মনে হয় না।

অনেকে বলছেন, সে ক্ষেত্রে বেশি লাভবান হবে পাকিস্তান। এমন চিন্তাকে অবশ্য ‘সরল’ বলে অভিহিত করতে চাইবেন কেউ কেউ। প্রথমত, কয়েকটি পণ্যে ভারত নিজেই পাকিস্তান-শ্রীলংকার বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। ফলে দেশটি স্বভাবতই এমন কোনো সুবিধা স্বজ্ঞানে সৃষ্টি করবে না যাতে নিজেদের সক্ষমতাই কমে আসে। দ্বিতীয়ত, মুক্ত বাণিজ্যে সমান সুবিধা পেলেই পাকিস্তান-শ্রীলংকা বাংলাদেশকে ভারতের বাজারে ক্রমাগত দুর্বল করে ফেলবে- এ কথাও সহজে বলা যায় না। তিনটি দেশে তৈরি পণ্যের মান ও দাম বেশ কাছাকাছি। এদিকে গৃহযুদ্ধ থেকে উঠে এখনো ভালোভাবে দাঁড়াতে পারে নি শ্রীলঙ্কা। আবার দ্রুতই পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে আসবে, এমনটি বলাও প্রায় অসম্ভব।

পাঁচ লাখ শ্রমিকের ধোলাই খালে বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকা আয় – পাঁচ লাখ শ্রমিকের ধোলাই খালে বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকা আয় ০০মোহাম্মদ আবু তালেব বিশাল শিল্প সম্ভাবনাময় ধোলাইখালের লেদ শিল্পে পাঁচ লাখ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা ন…

অবৈধভাবে জাহাজে ভেসে তিন বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান নরসিংদীর নন্দলালপুরের রিকশাচালক রমজান মিয়া। সেখানে একটি কোম্পানিতে চাকরিও নেন। একদিন মালিকের সহায়তায় মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে পাসপোর্টের আবেদনপত্র জমা দেন। কয়েক মাস পর জমার রসিদ নিয়ে

এ প্রেক্ষাপটে বড় সমস্যা ডিলারদের নিয়ে। প্রতিশ্রুত হার্ডবোর্ডের চালান না পাওয়ায় আইনের আশ্রয় নাকি নিতে চাইছেন তাদের অনেকে। জটিলতা হলো, কেবল ডিলারদের সরবরাহ করার লক্ষ্যেই বিপুল অর্থ ব্যয়ে কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। অতীতে একশ্রেণীর শ্রমিক নেতা ও ডিলারের যোগসাজশই কেএইচএমএলকে ডুবিয়েছে বলেও অভিযোগ। এ অবস্থায় হার্ডবোর্ডের সরবরাহে ডিলাররা এভাবে চাপ দিতে চাইছেন কেন, তা খতিয়ে দেখা চাই। এর সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে, হার্ডবোর্ড সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল কারখানাটি। এখন সেটি করতে অপারগ হওয়ায় আইনের মাধ্যমে তার সমাধান হতে পারে বটে। তবে প্রত্যাশা থাকবে, সে পথে না মাড়িয়ে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে এটি করা হোক।

হোমপ্রথম পাতাশেষ পাতারাজধানীবিশ্ব সংবাদবিনোদন প্রতিদিনশিল্প বাণিজ্যখেলার খবরঅন্যান্যদ্বিতীয় সংস্করণসারাদেশদৃষ্টিকোনতারুণ্যের সমকালীন চিন্তাউপ-সম্পাদকীয়সম্পাদকীয়আয়োজনঅনুশীলনআইটি কর্ণারবিশেষ সংখ্যাস্বাধীনতা দিবসবিজয় দিবসবর্ষশেষ সংখ্যাবিশ্ব ইজতেমা বিশেষ আয়োজনপরীক্ষার্থীদের শেষ সময়ের প্রস্তুতিভালবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজনআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসবিশেষ কভারনববর্ষ সংখ্যাস্মরণ সংখ্যাআমার জেলাঈদ বিনোদনঈদ সংখ্যা ২০১৩শারদীয় দুর্গোত্সব ১৪২০বড়দিনজয়িতাক্রিকেটের মহামিলনতথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশআজকের ফিচারক্যাম্পাসতথ্যপ্রযুক্তিকচি কাঁচার আসরই-পেপারবিজ্ঞাপন দর

দেশের অনলাইনে কেনাকাটা বা ই-কমার্স করের আওতায় আসা উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। তিনি বলেন, অনলাইনে বিত্তবানেরা কেনাকাটা করেন। ‘এ দেশে একটি প্রতিষ্ঠান আছে যারা প্রতি বছর বলে তারা ই-কমার্সকে করের বাইরে রাখতে পের

সকালে কোস্টার বাসে ঠিক ৯টায় যাত্রা শুরু করলাম ফুনশোলিং এর দিকে। পৌছালাম ৩টায়। রাস্তায় খাবার বিরতি ছিল। ফুলশোলিং এসে ইমিগ্রেশন শেষ করে জয়গাও আসলাম। জয়গাও এ হোটেল কস্তুরিতে উঠলাম, খুব ভালো হোটেল। ইমিগ্রেশনের কাজ সারলাম। দুজন মিলে বিভিন্ন দোকান ঘুরলাম, স্ট্রিট ফুড খেলাম।

এয়ারকন্ডিশনারের চালাতে বিদ্যুত খরচ হয় বেশি। এ ক্ষেত্রে উৎপাদন না বাড়িয়ে তূলনামূলক কম দামের এমন এয়ারকন্ডিশনারের চাহিদা বেড়ে গেলে আরও বৃদ্ধি পাবে বিদ্যুৎ ঘাটতি। এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে মূসক ১৫ শতাংশ থেকে একেবারে না কমিয়ে বরং রফতানিতে এ সুবিধাটি দেয়া যেতো। তাতে দেশের চাহিদা খুব বেশি বাড়ত না কিন্তু রফতানিতে মূসক অব্যাহতির পুরো সুবিধা ভোগ করতে পারতেন উদ্যোক্তারা। দেশে মূসক অব্যাহতি নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বহু অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে এ বিষয়ে সুসংবাদ হলো, মূসক আইনটি পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার। প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে, এতে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে। পূর্বের কাগজ-পত্রের বদলে মূসক প্রশাসনে যুক্ত করা হবে কেন্দ্রীয় তথ্য নিয়ন্ত্রক যন্ত্র। এতে সন্নিবেশিত থাকবে মূসক সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি। সম্ভাব্য আইনটিতে মূসক কর্মকর্তাদের ক্ষমতা সুনির্দিষ্টিভাবে শক্তিশালী করার উল্লেখ রয়েছে। ভালো হলো, এতে কমে যাবে দুর্নীতির সুযোগ।

ইদানীং স্থানীয় বাজার তো বটেই, বাংলাদেশী কয়েকটি আসবাব প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সুনাম কুড়াচ্ছে বিশ্ববাজারেও। এটিকে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবেই অভিহিত করতে চাইব আমরা। নিঃসন্দেহে এমন সফলতায় ভূমিকা এখানকার সুলভ শ্রমশক্তি। আরেকটি বিষয়, একাডেমিক শিক্ষা তেমন না থাকলেও এ দেশে কাঠশিল্পে দক্ষ শ্রমিক গড়ে উঠছে ঐতিহাসিকভাবে। এভাবে বাংলাদেশে তৈরি আসবাব রফতানি সম্প্রসারণে অবদান রাখছে এ দুটি উপাদানই। অবশ্য এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের যতটা সম্ভাবনা রয়েছে, কাজে লাগানো গেছে তার সামান্যই। ফলে কিছু ক্ষেত্রে আমরা যেমন রফতানি করছি, তেমনি ক্রমর্ধমান অভ্যন্তরীণ বাজারে জোগান দিতে গিয়ে আসবাব আমদানিও করতে হচ্ছে বিপুল মাত্রায়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীর কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ভালো না করার বড় কারণ- বাজার, টার্গেট ক্রেতা ও উপযুক্ত বিপণন কৌশল নির্ধারণে ঘাটতি।

আপনার ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি বাড়াতে পারেন সিপ্যানেলের সিকিউরিটি ট্যাবের অপশনগুলো ব্যাবহার করে আপনি ইচ্ছে করলে ওয়েবের ভিবিন্ন ফোল্ডারগুলো প্রয়োজনমত Password Protected Directories অপশন ব্যাবহার করে লক করে রাখতে পারেন IP Deny Manager অপশন ব্যাবহার করে আপনার ওয়েবসাইট এর আইপি এড্রেসের নিরাপত্তা দিতে পারেন । SSL Manager অপশন ব্যাবহার করে আপনি আপনার সাইটের অধিক নিরাপত্তা দিতে পারেন ।SSL CERTIFICATES কিনে ব্যাবহার করতে হয়, আমরা যদি আমাদের http://www.shop.com ওয়েবসাইটে এসএসএল সার্টিফিকেট যুক্ত করি তাহলে আমাদের ওয়েব এড্রেসটি হবে https://www.shop.com সাধারনত যেসকল সাইটে মানি ট্রানসেকশন হয় সেসকল সাইটে এসএসএল সার্টিফিকেট ব্যাবহার করা হয় । যেমন – ইকমার্স সাইটগুলো, পেপাল, এমাজান, ইবেই, আবার বড় বড় সাইটগুলোতেও এসএসএল সার্টিফিকেট ব্যাবহার করে নিরাপওা বাড়ানো হয় যেমন – গুগল, ফেসবুক ।

ক্রস সাইট স্ক্রিপটিং সমস্যাগুলো সাধারণত ওয়েবসাইটগুলোতে পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে হ্যাকারেরা সাধারণত ম্যালিশাস ডাটা পাঠায়। এর ফলে এরা অ্যাকসেস কন্ট্রোল সিস্টেমকে বাইপাস করতে সক্ষম হয়। এতে আক্রান্তের ওয়েব ব্রাউজারে ম্যালিশাস ডাটা দেখা যায়। অনেক সময় স্থায়ীভাবেও ম্যালিশাস ডাটা কোনো ওয়েবসাইটে স্টোর করা যায়। এ ধরনের আক্রমণের মাধ্যমে হ্যাকারেরা ওয়েবসাইট ডিফেস, কুকি চুরি, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি বা ফিশিং অ্যাটাক করে থাকে।

SSL এসএসএল এর অর্থ SECURE SOCKETS LAYER , ওয়েবসাইটে ক্রেতার তথ্য সুরক্ষিত রাখার একটি ভাগ কিংবা স্তর বলা যেতে পারে এই এসএসএল’কে । SSL ইন্টারনেট মাধ্যমে প্রেরিত সকল তথ্য কিংবা ডাটাকে সুরক্ষিত রাখে এবং ক্রেতা কিংবা সেই ওয়েবসাইট থেকে সেবা গ্রহণকারীকে সকল তথ্য নিরাপদ রাখে ।

ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের পানগাঁওয়ে দেশের প্রথম অভ্যন্তরীণ নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ সম্পন্নের পরও তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল মঙ্গলবারের বণিক বার্তায়। ওটির ফলোআপ হিসেবে গতকাল ছাপা হয়েছে, এরই মধ্যে টার্মিনালটির বেসরকারি অপারেটর হিসেবে নিয়োগও দেয়া হয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানকে। নৌপথে প্রধানত ঢাকা-চট্টগ্রামের মাঝে বাণিজ্য কানেক্টিভিটি বাড়াতেই ১৯৯১ সালে এমন টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় সরকার। তারপর আর্থিক ও রাজনৈতিক নানা জটিলতায় কাজ পেছালেও শেষ পর্যন্ত এটি সম্পন্ন হওয়াতে আশ্বস্ত হতে চাইবেন সংশ্লিষ্টরা। অবশ্য বার্জ নির্মাণ, ক্রেন বসানোসহ বেশ কয়েক কাজ বাকি রয়েছে এখনো। এগুলো শেষ হলেই চালু করা যাবে টার্মিনালটি। প্রত্যাশা থাকল, এসবও সম্পাদন করা হবে দ্রুততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে।

দুর্নীতির খোঁজ পাওয়া যায় সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতে। অধিকাংশ সময় সরকারি দুর্নীতি অনুপ্রেরণা জোগায় বেসরকারি খাতকে। এর মধ্যে সুযোগ নেয় বিদেশীরা। দেশে দুর্নীতি বন্ধে প্রথম উদ্যোগ নিতে হবে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে; দৃষ্টি রাখতে হবে যেন বিটিসিএল ও টেলিটকের অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মতো কেউ যেন একচেটিয়া দুর্নীতির সুযোগ না পায়। দুর্নীতি হয়তো শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে না। তবে ছোট-বড় কোনো দুর্নীতিকেই প্রশয় দেয়া যাবে না। দুদককে কার্যকর ও সামগ্রিকভাবে ই-গভর্নেন্স চালুর মাধ্যমে করা যেতে পারে এটি।

চারপাশে বহুতল আবাসিক ভবন। মাঝে ছোট্ট একটি পুকুর, নাম রমজান আলী ওস্তাগার। টাইলস করা পুকুরটির চারপাশে বসে গল্প করছে, সময় কাটাচ্ছে মহল্লার লোকজন। বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করছে শিশু-কিশোরেরা। পুকুরটিতে গোসল করার জন্য আছে ঘাট। সাঁতার শেখার জন্যও আছে ব্যবস্থা।প

Bdwebs.com is provide Best Domain Registration with provide full Domain Control Panel. We are provide Cheap price Name Registration. Domain Registration, Renew and Transfer price .com .net .org .info .biz only 850Tk. per years. We are provide Reseller (Bulk) Domain Registration. Our Domain Registration, Renew and Transfer price (com .net .org .info .biz .us etc.) only 750Tk. […]

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে একটি থার্ড-পার্টি থিম ব্যবহার করেন, তাহলে এটি আপেক্ষিক URL গুলির পরিবর্তে পূর্ণ URL গুলি ব্যবহার করতে পারে। অটো-টিউনিং চেক করতে আপনার থিমের পিএইচপি ফাইলগুলি পর্যালোচনা করুন। আপনি নিখুঁত ইউআরএল সঙ্গে আচরণ করা হয়, আপনি কাস্টম কোডিং বা প্লাগইন ব্যবহার করে এই চারপাশে একটি উপায় খুঁজে বের করতে হবে। এটি প্লাগইনগুলিতেও প্রযোজ্য

সত্য যে, বর্তমান শাসনামলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে। আগের চেয়ে লোডশেডিংও কমেছে খানিকটা। তবে সমস্যা হলো, অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি যে গতিতে বেড়েছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যায় নি এখানে। অথচ এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন ছিল যখন থেকে এ দেশের অর্থনীতি দ্রুততার সঙ্গে চলা শুরু করল তখন থেকেই। এখন আমাদের বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেশি; সময়ে তা আরও বাড়বে। এ অবস্থায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষপে নেয়া হলে দ্রুত না হোক, ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ ঘাটতির উপশম হবে। স্বল্প মেয়াদী ব্যবস্থা হিসেবে রোধ করা প্রয়োজন বিদ্যুতের অপচয় ও এ ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি। দেখা যেতে পারে, সেচকার্যে বিদ্যুতের বদলে অধিকহারে ডিজেল ব্যবহার করা যায় কিনা। আগে বেশ কয়েকবার ভারত থেকে জলবিদ্যুৎ কেনার কথা উঠলেও শেষ পর্যন্ত বিষয়টি এগোয় নি। অথচ এ ধরনের বিদ্যুৎ ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুতের চেয়ে ব্যয়সাশ্রয়ী। সম্প্রতি জলবিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে মিয়ানমারেও সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্য মেয়াদী কার্যক্রম হিসেবে ভারত ও মিয়ানমার থেকে জলবিদ্যুৎ নেয়া যেতে পারে। তার সঙ্গে সমুদ্র-নদীর জোয়ার-ভাটা কাজে লাগিয়ে এবং ব্যাপকভাবে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে খুচরা গ্রাহকদের প্রয়োজন মেটানো যায় কিনা, দেখা দরকার। অবশ্য এ ধরনের বিদ্যুৎ শিল্প-কারখানায় জুতসই নয়। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে আরও তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে পারমাণবিক বিদ্যুতের সম্ভাবনাটি যাচাই করা যেতে পারে গুরুত্বের সঙ্গে।

গ্রাহকরা কী দরে এলএনজি পাবেন, সে ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উৎস দেশকে মেটানো দাম ও পরিবহন খরচ। এ ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ অনেক বেশি। সুবিধা হতো, যদি ইন্দোনেশিয়া বা মিয়ানমার থেকে এলএনজি কেনা যেতো। সরকার অবশ্য এটি কিনতে চাইছে কাতার থেকে। সত্য যে, ওই দেশ থেকে রফতানিকৃত এলএনজি মানসম্পন্ন বলে সুনাম রয়েছে; তার দামও প্রতিযোগিতামূলক। তবুও এ ক্ষেত্রে বহন খরচ আমলে নিয়ে কাতার থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেখা যেতে পারে। ভালো হতো, সরাসরি মিয়ানমার থেকে এলএনজি আনা গেলে। এতে পরিবহন খরচ প্রায় লাগত না বললেই চলে, কেবল পাইপ লাইন বসালেই হতো। জটিলতা হলো, সেখানকার গ্যাস ক্ষেত্রগুলো কয়েকটি চীনা প্রতিষ্ঠানের ইজারায় রয়েছে। এ অবস্থাতেও চীনা প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতামূলক দাম দেয়া হলে, হয়তো দেশটিতে থেকে এলএনজি আমদানি অসম্ভব হবে না। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া দরকার। কারণ চলতি বছর টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু করা গেলেও কয়েক বছর লাগবে সেটি সম্পন্ন হতে। অথচ এ সময়ের মধ্যে মিয়ানমার থেকে এলএনজি আমদানি করা গেলে কেবল পাইপ লাইন বসিয়েই আমাদের জ্বালানি ঘাটতি মেটানো যাবে অনেকাংশে।

এই আইকনটিতে ক্লিক করলে পেজটি একবার রিলোড হবে এবং তারপরই সেইভ উইন্ডো আসবে। তারপর আপনি এপিকে ফাইলটি সেইভ করে ব্লুটুথ বা ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ট্রান্সফার করতে পারবেন। ট্রান্সফার শেষে ফাইলটি রান করলেই ইন্সটল হয়ে যাবে। [সূত্রঃ এক্সডিএ]

One Reply to ““এসএসএল সার্টিফিকেটগুলি aws””

  1. এসএসএল সার্টিফিকেট হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা আপনি কোন প্রতিষ্ঠান বা নিজের মানে কিনতে পারবেন। এটি আপনার ওয়েব ব্রাউজার এবং আপনার ওয়েব সার্ভারের মধ্যে একটি সিকিউর কানেকশন তৈরি করে। আপনার প্রতিষ্ঠানের বিবরণ একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক কী এর মধ্যে বেঁধে রাখে। এই সার্টিফিকেটটি সার্টিফিকেট ধারকের নাম, সিরিয়াল নাম্বার, মেয়াদ, সার্টিফিকেট ধারকের পাবলিক কী, এবং একটি ডিজিটাল সিগনেচার ধারণ করে যা সার্টিফিকেটির প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করে। কোন ওয়েবসাইটে এসএসএল সার্টিফিকেট থাকার মানে হলো, এই সাইটটিকে আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন, এর তথ্যগুলোর উপর কোন হ্যাকার নজর দিতে পারবেনা।
    অস্বীকার করা যাবে না, ২২৫ মিটারের বেশি দীর্ঘ জাহাজ প্রবেশ করতে পারে না মংলা বন্দরে। তবে এটি চ্যানেলে অবস্থিত, তাতে নাব্য সংকটের ঘটনা শোনা যায় কমই। এ বন্দরটির সঙ্গে দেশের অনেক দূরবর্তী অঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ রয়েছে ঐতিহাসিকভাবে। মধ্যযুগে মংলা বন্দরের যোগাযোগ স্থাপিত হয় বিশ্বের প্রায় সব নৌ-বন্দরের সঙ্গে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলো, পার্শ্ববর্তী কলকাতা ও ইউরোপের বিভিন্ন বন্দরের সঙ্গে এর বাণিজ্যিক সম্পর্ক। এটিকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো চাই। মংলার অনতিদূরেই রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবন। এ পরিপ্রেক্ষিতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হলে কেবল পণ্য নয়, যাত্রী পরিবহনও বাড়ানো যাবে এ বন্দরে। অবশ্য উভয় ক্ষেত্রেই মাথায় রাখা প্রয়োজন, বন্দরটির পাশেই রয়েছে বিস্তৃত সুন্দরবন। সে ক্ষেত্রে যাত্রী, পণ্য যেটিই হোক বন্দর ব্যবহার বাড়াতে চাইলে পুরো চ্যানেলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *