“এসএসএল সার্টিফিকেটগুলি গুগল”

এন আই খান: এটি আমার মন্ত্রনালয়ের কাজ নয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় এ বিষয়ে ভাল বলতে পারবে। এটি সত্য যে জাতীয় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কেউ লোয়ার কোয়ালিটির ডিভাইস নেবে না। বিদেশি যন্ত্রাংশ আমদানির পর পুরোপুরি দেশে তৈরি দোয়েল। মূল্য কম হওয়ায় এটি বেশ সাড়া ফেলেছিল। একেবারে বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে দোয়েলের মূল্যে ল্যাপটপ কিন্তু কোথাও পাবেন না। মূল্য ও প্রাথমিক উদ্যোগ হিসেবে এখনই এটিকে আন্তর্জাতিক  ব্র্যান্ডের সঙ্গে তুলনা করা যাবে না।

প্রথম কথা হলো ই-কমার্স সাইট তৈরি করার সময় ডিজাইন ফেস থেকেই সিকিউরিটির বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। ডিজাইন ফেসে বিস্তারিত রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞকে ওয়েববাইটের অ্যাসেট, তৎসংশ্লিষ্ট ঝুঁকি ও তার কাউন্টার মেজার নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করতে হবে। প্রতিটি বিষয়কে তার গুরুত্বানুযায়ী ভাগ করতে হবে ও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। পাল্টা ব্যবস্থার মধ্যে থাকবে স্ট্রিক্ট ইনপুট ভ্যালিডেশন, ৩ টায়ার মডুলার আর্কিটেকচার, ওপেন সোর্স ক্রিপটোগ্রাফিক স্ট্যান্ডার্ড এবং নিরাপদ কোডিং অভ্যাস।

কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দিষ্ট এনজিও অনুমোদন এবং অধ্যায় 35AC উদ্দেশ্যে প্রকল্প বা স্কিম জন্য যোগ্য হিসাবে তাদের সূচিত করা হবে. একটি এনজিও তার প্রকল্পের জন্য যেমন একটি অনুমোদন পেয়ে গেলে, তাহলে এটি কর্পোরেট ও ব্যবসা খাত থেকে তহবিল সংগঠিত একটি খুব ভাল সুযোগ দাঁড়িয়েছে. যেমন অনুমোদিত প্রকল্পে অবদান রাখছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যয় যেমন অবদান পরিষোধের সুবিধাগুলো অনুমতি দেওয়া হয়.

শীঘ্রই হয়তো প্লে স্টোরে অডিওবুক বিক্রি শুরু করবে মার্কিন ওয়েব জায়ান্ট গুগল। বাজারে স্বদেশীয় ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন-এর আধিপত্যের সঙ্গে পাল্লা দিতেই হয়তো এমন পদক্ষেপ নেবে গুগল, বলা হয়েছে আইএএনএস-এর প্রতিবেদননে।

অন্যদিকে মূল সার্টিফিকেটের ফটোকপি যাচাই করে নিতে বা সত্যায়িত করে নিতে হলে একই ফরমে একই পদ্ধতিতে আবেদন করতে হয়। তবে আবেদন ফরমের সঙ্গে মূল সার্টিফিকেট এবং ওই সার্টিফিকেটের চার কপি ফটোকপি বোর্ডে জমা দিতে হয়। ওই চারকপি সার্টিফিকেট সত্যায়িত করতে ব্যাংক ড্রাফট বাবদ খরচ হয় ১০০ টাকা।

এসব নেতিবাচক দিক বাদ দিলে বিপিএল আয়োজনের বড় তাৎপর্য হলো, এ ধরনের আয়োজন ঘরোয়াভাবে এই প্রথম বাংলাদেশে। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজনে ভারত ও শ্রীলংকার সঙ্গে যৌথভাবে ছিলাম আমরা। ওই আয়োজনে তাদের সহায়তাও ছিল প্রচুর। আর আমাদের বিনিয়োগকারীরা এবারের বিপিএল আয়োজন করেছে নিজেরাই। এ ক্ষেত্রে ত্রুটিবিচ্যুতি সত্ত্বেও তাদের এ উদ্যোগ ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। ভালো-মন্দ যাই হোক এ দেশের বিনিয়োগকারীরা তাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অবশ্য অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে এরই মধ্যে। তবে এমন অভিযোগ বিপিএলে খেলা ক্লাবগুলো নিয়ে নয়; যারা নিলাম থেকে বাদ পড়েছিল বাদ পড়েছে তাদের ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঘিরে। আমরা চাইবো, এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করে সেটির ফল প্রকাশ করা হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও (এনবিআর) এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, বিপিএলে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে সতর্ক থাকবে তারা। আমাদের প্রত্যাশা, বিপিএলে বিপুল বিনিয়োগের বিষয়টি মাথায় রেখেই যে কোনো ব্যবস্থা নেবে এনবিআর।

আপনি কি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট বানাতে চাচ্ছেন? আপনার কি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট দরকার? আপনি কি অনলাইন শপ (ই-কমার্স সাইট) বানিয়ে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চাচ্ছেন? আপনার কি নিউজ সাইট ডিজাইন দরকার? সাইবার… More ডেভলোপার বিডি দিচ্ছে আপনাকে মাত্র ৫০০০ টাকা থেকে নিজেস্ব ডায়নামিক ওয়েবসাইট শুরু করার সুযোগ!

অপ্রিয় হলে ও সত্য আমাদের দেশীয় হোস্টিং প্রোভাইডারা কোন ধরণের ম্যানিব্যাক গেরান্টি দেয় না। আর দিলে ও আমার জানা নেই তবে আপনার উচিত হবে সব সময় এটা দেখে নেওয়া। তবে রিসার্চের ফলে বেশ কয়েক টা ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডারের সার্ভিস দেখলাম তারা এতটাই আত্মবিশ্বাসি যে, তারা যেকোন সময় আপনার টাকা ফিরে দিতে আগ্রহী। আর কিছু কিছু প্রতিষ্টান আছে যারা ৯০দিনে,৭০দিনে,৫০দিনে,৪৫দিনে বা ৩০দিনের ম্যানিব্যাক গেরান্টি দিচ্ছে। এই ব্যাপার টা আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছে, এটা আপনার উপর তাদের আস্থা বাড়িয়ে তুলছে এবং তাদের ব্যবসাকে আর ও এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।

Normally, Comodo PositiveSSL will take you $9/year. This amount is much higher than the money to buy a domain. But, wait! I’ve got a tip it, just take only $2.65/year. In order to boost sales of SSL Certificates, Namecheap offers a special discount: purchase the certificate with one another produ…

কিন্তু ইন্টারনেট পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন পড়বে ডিজিটাল সিগন্যালের, যেখানে সিগন্যাল সরাসরি পিকচার বা সাউন্ডের রূপে না থেকে থাকবে ডিজিটাল বা বিট রূপে। অর্থাৎ এটি সংখ্যা রিসিভ করবে। সাধারন এন্টেনা কখনোই বিট রিসিভ করতে পারেনা। এর জন্য প্রয়োজন হয় স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা (যা ডিশ অ্যান্টেনা নামে আমরা চিনি), এটি সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ব্যান্ডউইথ রিসিভ করে। এথেকে আরো কিছু নির্দিষ্ট ডিভাইজ লাগিয়ে ইন্টারনেট পাওয়া যেতে পারে। তবে অনেক ঝামেলা আছে।

এক্সপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ERC) সংগ্রহ পদ্ধতি ব্যবসায়ের জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রক্রিয়া! পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানীর এলসি (LC) করবেন যেভাবে! বিদেশ থেকে পন্য আমদানি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জেনে নিন ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রক্রিয়া! ফ্যাক্টরির জন্য বিজিএমইএ মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট পাবেন যেভাবে বয়লার রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট সংগ্রহ পদ্ধতি পেটেন্ট বা মালিকানা সত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন…. বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স সংগ্রহ পদ্ধতি লিমিটেড কোম্পানি গঠন করার নিয়ম!

রুবেলের মতো অনেকেই আসেন নীলক্ষেতে। পরিচয় গোপন রেখে কথা হয় নকল সার্টিফিকেট বানায় এমন একটি দোকানের কর্মচারী সঙ্গে। তিনি দাবি করলেন, বিশ্বের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ বানিয়ে দিতে পারবেন তিনি। এর দাম বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটের কাগজ একেক রকম। তাই বিভিন্ন উপায়ে কাগজ সংগ্রহ হয় তাদের। তবে কাগজের মধ্যেও ভিন্নতা রয়েছে বলে জানান ওই কর্মচারী। আসল কাগজে জলছাপ থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রতীক থাকে। তাই সার্টিফিকেট দেখতে একেবারে আসলের মতো হয়।

ক্ষমতায়নের সঙ্গে সঙ্গে একাকী নারীর সংখ্যা বাড়ে। আবার অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষদের তুলনায় নমনীয় হলেন নারী। যেমন ভাড়া নিয়ে পুরুষের চেয়ে অধিকাংশ সময়ে নারী বোর্ডাররা থাকেন সচেতন। এসব দিক থেকে নারীদের জন্য হোস্টেল সার্ভিস কিন্তু একটি সম্ভাবনাময় ব্যবসা। ফলে নারী হোস্টেলের সংখ্যা ও মান বাড়াতে এবং এগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে এখনই পদক্ষেপ নেয়া দরকার। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি রিয়েল এস্টেট কোম্পানীগুলো এগিয়ে আসতে পারে। পিপিপির মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক বিভাগ ও জেলা শহরেও নির্মাণ করা যেতে পারে নারীদের হোস্টেল।

৪.লাইভ সাপোর্ট এটি দিয়ে কি করবেন ? দেশী বলেন আর বিদেশী বলেন সকল প্রোভাইডারই আপনাকে সাপোর্ট এর জন্য টিকিটিং সিস্টেম (বাইরের প্রোভাইডাররা অবশ্যই টিকিটিং সিস্টেব ব্যবহার করতে বলে) এর কথা বলবে। দেশী প্রোভাইডার হলে সর্বোচ্য ফোন সাপোর্ট দিবে। আর লাইভ সাপোর্ট আপনার হোষ্টিং এর সাথে কোন ম্পর্ক রাখে না। কারন লাইভ সাপোর্ট হচ্ছে শুধুমাদ্র সেলস এর জন্য। তাই ক্লাইন্ট হয়ে যাবার লাইভে গিয়ে সাপোর্ট চাওয়ার কোন মানে দেখছি না।

কক্ষ তাপমাত্রায় প্রচলিত সব ভোজ্যতেলই স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। তবে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এগুলো পরিণত হয় ক্ষতিকর জৈববস্তুতে। এ ক্ষেত্রে নিরাপদ হলো পাম ও রাইস-ব্রান অয়েলের ব্যবহার। খাদ্যদ্রব্য কড়াভাজা হলেও এসব তেল ক্ষতিকর বস্তু তৈরি করে সামান্যই। আবার সালাদে ব্যবহৃত তুলাবীজ তেলের তুলনায়ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ রাইস-ব্রান অয়েল। হৃদরোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি বিশেষত নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি উপকারী। এরই মধ্যে স্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রাইস-ব্রান অয়েল বাজারজাতকরণ শুরু করেছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, নতুন পণ্য হওয়ার সুবাদে এ ক্ষেত্রে অযৌক্তিক দাম হাঁকছে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী। এদিকে নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রতিযোগীর সংখ্যা কম হওয়াতেও এমনটি ঘটতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাইস-ব্রান অয়েল উৎপাদনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সচেতনতা বাড়াতেও এগিয়ে আসা উচিৎ সরকারকে। আবার ধান বিক্রির সময় কৃষকরা যেন সচেতন থাকেন, তাও দেখা চাই।

১৮৮০’র দশকের শুরু হয় ওয়ার অব কারেন্টস (বিদ্যুৎ যুদ্ধ)। এতে এক পক্ষে ছিলেন বিখ্যাত মার্কিন আবিষ্কার টমাস আলভা এডিসন ও তার পেটেন্টকৃত ডিসি (ডাইরেক্ট কারেন্ট) লাইন ব্যবস্থা। ইলেক্ট্রিক বাল্ব তৈরি করে ততদিনে বিরাট করপোরেশনে পরিণত হয়েছে এডিসন কোম্পানী। এডিসন ঘোষণা করলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ডিসি লাইনের বিকল্প নেই। এ কথায় আস্থা রেখে প্রেসিডেন্ট কথা দিলেন, সফল হলে এডিসন কোম্পানীকে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। তবে প্রকল্প শুরুর কয়েক মাসের মধ্যে দেখা গেলো কয়েকটি মারাত্মক বাণিজ্যিক সমস্যা রয়েছে এডিসন প্রবর্তিত ডিসি ব্যবস্থার। লাইন যতদূর যায় আনুপাতিকহারে এক্সট্রা-লো ভোল্টেজ তৈরি করে এটি; উজ্জ্বল থেকে ক্ষীণ হতে থাকে বাল্ব। সমস্যাটি দূর করা অসম্ভব নয়। তবে তা করতে চাইলে প্রতি কিলোমিটারে স্থাপন করতে হবে একটি করে বিদ্যুৎকেন্দ্র। এত খরচ করে বিদ্যুৎ জোগানোটা অর্থনৈতিকভাবে টেকসই নয়। আরেকটি উপায় আছে, এসি লাইন ব্যবহার করা। তবে এ পথে এগোতে চাইলেন না এডিসন। তার ‘কুসংস্কার’ ছিল, এসি ভোল্টেজ প্রাণ সংহারী। আরেকটি বিষয়ও তাকে এসি লাইন ব্যবস্থা ব্যবহার থেকে দূরে রেখেছিল। তাহলো, এ ব্যবস্থাটির কোনো পেটেন্ট ছিল না এডিসনের।

যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি মিললে আরও ২ হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা (সিএনজি) রাজধানীতে নামবে বলে খবর রয়েছে গতকালের বণিক বার্তায়। এতে বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থান হলেও সামগ্রিকভাবে এটিকে ইতিবাচকভাবে নেয়ার সুযোগ কম। ঢাকার যানজট নিয়ে বলার কিছু নেই। কম যাত্রী ধারণক্ষম সিএনজির সংখ্যা আরও বাড়ানো হলে পরিস্থিতিটির বড় অবনতি না ঘটলেও মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা বাড়বে। অথচ কয়েকদিন আগেই সরকার যানজট কমাতে স্কুল-কলেজে গণপরিবহন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তারও আগে প্রাইভেট কারের আমদানি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত শুল্কারোপসহ একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিল সরকার। এমন পরিস্থিতিতে সিএনজি বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি ঠিক বোধগম্য হয় না। অতীতে এমন একটি ঘটনায় দুর্নীতির খোঁজ মিলেছিল। খতিয়ে দেখতে হবে, এ ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে কিনা।

গত দুই মৌসুমে গড় আলুর উৎপাদন প্রায় ৮৩ লাখ টন। পরিভোগ ও প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের চাহিদা যোগ করলে দেশে আলুর মোট চাহিদা ৫০ লাখ টনের বেশি হওয়ার কথা নয়। স্পষ্টত এ ৩০ লাখ টন উদ্বৃত্ত আলুর কিয়দংশ নষ্ট হয়েছে; কিছুটা ব্যবহৃত হয়েছে পশু খাদ্য হিসেবে। তা সত্ত্বেও এতটা দাম বাড়ার পেছনে অন্য কী কারণ লুকিয়ে আছে, দেখা দরকার। আলুর হিমাগারে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও এর রফতানি বাজার থেকে তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করা হলে, কারণটি খুঁজে বের করা কঠিন হবে না বলে ধারণা। কেউ কেউ বলছেন, আলু চাষী ও ভোক্তা এক রকম জিম্মি হয়ে পড়েছেন কয়েক স্তরের মধ্যসত্ত্বভোগীদের হাতে। জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে আলু রফতানি হয় মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও রাশিয়াতে; বিশ্ববাজারে এখানকার প্রতিটন আলুর দাম মোটামুটি ২৫২ ডলার। স্থানীয় বাজারে প্রতিমণ আলুর দাম ৯৫০ টাকার মতো। হিসাব করে দেখা যায়, স্থানীয় বাজারে আলুর দাম বিশ্ববাজারের চেয়ে টনপ্রতি ৪-৫ হাজার টাকা বেশি। এ পরিস্থিতিতে আলুসহ অন্যান্য পণ্যবাজারে একশ্রেণীর অপ্রয়োজনীয় মধ্যসত্ত্বভোগী ও মজুদদারের সংখ্যা কমাতে উত্থাপিত প্রতিযোগিতা বিল পাশ ও তার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ঘটানো চাই দ্রুত।

চলতি করবর্ষে ওয়ানস্টপ পদ্ধতিতে আয়কর বিবরণী জমা ও কর পরিশোধের সুবিধা রেখেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতে আয়কর বিষয়ে করদাতাদের মাঝে আগ্রহ যে বাড়ছে, সেটি উপলব্ধি করা যায় এনবিআরের উদ্যোগে রাজধানীতে চলমান কর মেলায় গেলে। এখানে অনেকে নতুন টিআইএনও (ট্যাক্স পেয়ারস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) নিচ্ছেন উৎসাহের সঙ্গেই। কয়েক বছর আগেও আয়কর প্রদানে অনেক করদাতারই উদাসীনতা ছিল লক্ষ্যণীয়। ওই প্রেক্ষাপট থেকে দেখলে মেলার মাধ্যমে এভাবে আয়কর আহরণের জন্য ধন্যবাদই দিতে হয় এনবিআর তথা সরকারকে। একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে আরও উন্নতি ঘটানো দরকার। এবারও কিন্তু অনেক করদাতা অভিযোগ করেছেন মেলা-সংক্রান্ত প্রচারণা অপর্যাপ্ত ছিল বলে। গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, করঅঞ্চলে মাইকিংসহ মেলার শুরুতে মোবাইলে এসএমএস দিয়ে করদাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে চলতি বছরও। তা স্বত্বেও বিষয়টি জানতে পারেন নি অনেকে। তার একটি কারণ হতে পারে- অপারেটরদের অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপনে বিরক্ত হয়ে কেউ কেউ পরিচিত নম্বর ছাড়া এসএমএস পড়েন না। এ অবস্থায় এসএমএস না দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো ‘স্ক্রল বুলেটিন’ আকারে দেয়া যায় কিনা দেখা যেতে পারে। করদাতাদের সুবিধার্থে বুলেটিন বাংলায় বা রোমান হরফে বাংলায় হলেই ভালো। সুবিধা হতো, চলতি বছর থেকেই টিআইএন নিবন্ধন ম্যানুয়ালের পাশাপাশি অনলাইনে করা গেলে। এনবিআরের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে, আগামী বছরই করা সম্ভব হবে এটি। এতে বেশি উপকৃত হতেন, চাকুরিজীবি বেসরকারি আয়কর দাতারা। এদিকে আগের চেয়ে সহজ হলেও আয়কর বিবরণী দাখিলে কিছু জটিলতা রয়ে গেছে এখনো। দিল্লীর শাসকরা বাংলা শাসনের সময় যেসব আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করতেন, আয়করের ক্ষেত্রে তেমন কিছু বিলুপ্তপ্রায় ও দুর্বোধ্য শব্দের ব্যবহার এখনো লক্ষ্যণীয়। এর আধুনিকায়ন জরুরি। অনলাইন ট্যাক্স ক্যালকুলেটরও বাংলায় হওয়া প্রয়োজন। নতুন একাধিক সার্কেল অফিস চালু হওয়ায় এবার সমস্যা দেখা গেছে কর অঞ্চল নির্ধারণ নিয়েও। ওয়েবসাইট বা মোবাইল হটলাইনের মাধ্যমে সেটি দূরীকরণের উদ্যোগ নিতে পারে এনবিআর। এ ক্ষেত্রে নিজেরা সব দায়িত্ব না নিয়ে কল সেন্টারের সহায়তাও নিতে পারে তারা। আরেকটি বিষয়, আয়কর রিটার্ণ দাখিলের সময় বাড়ানো। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত আয়কর দাতাদের জন্য ওটি দাখিলের সময় বাড়ানো হচ্ছে বলে খবর রয়েছে বণিক বার্তায়। প্রাতিষ্ঠানিক করদাতাদের পক্ষ থেকেও রিটার্ণ দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে। এটিও বাড়াতে হবে বলেই মনে হয়। লক্ষ্যণীয়, প্রতি বছরই বাড়াতে হচ্ছে আয়কর মেলার সময়সীমা। এ অবস্থায় সপ্তাহব্যাপী না করে মেলাটি মাসব্যাপী করা যায় কিনা, দেখা চাই। সে ক্ষেত্রে একটি সমস্যা হলো, এনবিআরের খরচ বাড়বে এতে। তবে কর্মী আউটসোর্স করে এ জটিলতা কাটানো সম্ভব বলে ধারণা। কার্যকর মনে হলে, করঅঞ্চলভেদে বিশেষ ব্যবস্থাও নেয়া যেতে পারে। অবশ্য এজন্য প্রথমেই দরকার, পুরো কর ব্যবস্থাকে ‘ডিজিটাইজড’ করে ফেলা। এতে আয়কর জমাদানের প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও নিরাপদ হয়ে উঠবে। আয়কর নিয়ে মানুষের অমূলক ভীতি অনেকটাই কেটে যাবে সে ক্ষেত্রে। এনবিআরের ওপর জনআস্থা বাড়বে; আয়কর আহরণ বাড়বে সংস্থাটির। আয়কর আহরণের ব্যয়ও এতে কমবে বলেই মনে হয়।

ডোমেইন হোস্টিং খুজছেন? দেশের সেরা সার্ভিস পেতে কাস্টোমারদের প্রথম পছন্দ এখন Cyber Developer BD. এখন সাইবার ডেভলোপার বিডি-তে পাচ্ছেন এসএসডি ওয়েব হোস্টিং এ ৫০% লাইফটাইম ডিসকাউন্ট। মাত্র ৪০০ টাকায় নিন এসএসডি… More হোস্টিং পুরো ১ বছরের জন্য। আর .com ডোমেইন ৭৫০ টাকা ১ বছর

গ্রাহক হয়রানি দূরীকরণে মিনিটভিত্তিক প্যাকেজে পৃথক কলচার্জ আদায়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে খবর রয়েছে গতকালের বণিক বার্তায়। অনেক সময় প্যাকেজগুলো গ্রাহকের কাজেও আসে না কল-ড্রপ হওয়ায়। কিছুদিন আগে অবশ্য সব অপারেটরকে ১০ সেকেন্ড পালস চালুর নির্দেশ দেয়া হয় একই সমস্যা নিরসনে। তবে বিটিআরসির এ পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান টেলিটক ছাড়া ওই নির্দেশ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে নি কোনো অপারেটরই।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তখন ডিজিটাল সেবাসহ কোনো তথ্য জানার জায়গা ছিল না। এখন প্রত্যেক মাসে ইউনিয়ন সেবা কেন্দ্রসমূহে ৫০ লাখ মানুষ সেবা নিতে যায়। যেখানে কম্পিউটারসহ ডিজিটাল প্রযুক্তি স্থাপিত হয়েছে। আমরা ছয় কোটি টাকারও বেশি এসব কেন্দ্র থেকে আয় করছি।

One Reply to ““এসএসএল সার্টিফিকেটগুলি গুগল””

  1. ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশসহ অনেক দেশেরই বর্ডার অ্যাডমিনস্ট্রেশন পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয়। এতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ঘাটতি, দুর্নীতির আধিক্য ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মতো সমস্যাই উঠে এসেছে বেশি। আমদানিতে আমাদের স্কোর কমার পেছনে এটিও বড় কারণ হতে পারে; যেহেতু প্রতিবেশী ভারত থেকে অধিকাংশ আমদানি পণ্য আসে স্থলবন্দর হয়ে। সম্প্রতি স্বয়ংক্রিয় বন্দরব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু হয়েছে চট্টগ্রামে। প্রত্যাশা থাকলো, বর্ডার অ্যাডমিনস্ট্রেশন পরিস্থিতির উন্নয়নে ক্রমে এমন ব্যবস্থা সব বন্দরেই চালু হবে। গতকালের বণিক বার্তায় খবর রয়েছে, দেশের অন্যতম সক্রিয় স্থলবন্দর বেনাপোলে ২০১১-১২ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু হলে এমন ঘাটতি কমবে বলেই ধারণা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *